বগুড়া ব্যুরো ও শেরপুর প্রতিনিধি :
বগুড়ার শেরপুরে সেচপাম্প বসানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৪ মার্চ) সকালে উপজেলা সুঘাট ইউনিয়নের আওলাকান্দি গ্রামের আলাবক্স ও হাবিবর রহমান পক্ষ বাদি হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন।
এর আগে ২মার্চ (শনিবার) সন্ধ্যার দিকে আওলাকান্দি গ্রামে ওই দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। এরমধ্যে গুরুতর দুইজনকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, স¤প্রতি সুঘাট ইউনিয়নের আওলাকান্দি গ্রামের আলা বক্স শেখ ও একই গ্রামের হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের অগভীর নলক‚পের স্থাপনের জন্য অনুমোদন পান। কিন্তু সেচ পাম্পগুলো পাশাপাশি হওয়ায় তা বসানো নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। আর এই বিরোধের জের ধরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সর্জিত হয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের বিশ নারী-পুরুষ গুরুতর আহত হন।
আহতরা হলেন- বাচ্চু খাঁন, আব্দুল হাই, জাহাঙ্গীর আলম, কে এম জাকারিয়া হোসেন, ডলি খাতুন, শিল্পী খাতুন, ইউনুস, ফিরোজ আহম্মেদ, জয়নাল আবেদীন, সোহেল রানা, মঞ্জুর রহমান, জুয়েল রানা, আবদুল হান্নান ও আব্দুল মান্নান। এরমধ্যে জাহাঙ্গীর আলম, কে এম জাকারিয়া হোসেন, বাচ্চু মিয়া ও আব্দুল হাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আহত অন্যান্য নারী ও পুরুষসহ পনেরজনকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা এ প্রসঙ্গে বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেইসঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া নতুন করে আবারো যেন সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।


































