গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক:
মৌসুমের শুরুতেই কিছুটা অনাবৃষ্টি হলেও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে কৃষকরা শুরু করেছেন আমন আবাদ শুরু করেছেন। পযাপ্ত পানি থাকায় খরচ বাঁচিয়ে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
ইতিমধ্যে উপজেলায় প্রায় ৭৫% ভাগ জমিতে আমন চারা লাগানো সম্পন্ন হয়েছে। এই এলাকায় আমন চাষের মৌসুম শেষের দিকে হলেও বলান করা চারায় পুরো আগষ্ট জুড়েই এর আবাদ করা যাবে বলে জানিয়েছে উপজেলার কৃষি বিভাগ।
কৃষকরা জানিয়েছেন আমন আবাদের ভরা মৌসুম শ্রাবণ মাসের প্রথম দিকে তুলনা মুলক বৃষ্টির হয়নি। আর প্রয়োজনীয় পানির অভাবে চাষিরা আমন চারা রোপন করতে পারছিলনা। গভীর ও অগভীর নলকুপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে অনেকেই যেটুকু চারা রোপন করেছিল সেটুকুও পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছিল। আমন আবাদ বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল। তাই বৃষ্টি না হওয়ায় আমন আবাদ নিয়ে চিন্তায় পড়েছিল কৃষকরা। কিন্তু শ্রাবণের মাঝে এসে বেশ কয়েক দিন টানা বৃষ্টিতে মাঠে পর্যাপ্ত পানি জমে যায়। এই পানিতে কৃষকরা আমন চারা রোপনে নেমে পড়েছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে ও পৗরসভা সহ এবার ৩১ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে আমন রোপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের মাদার গ্রামের দুলু মিয়া জানান, মাঠে ব্যাপক হারে আমন ধানের চারা রোপন শুরু হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যেই কষ্ট করে এই কাজ করতে হচ্ছে। এতে কষ্ট হলেও সময়ের মধ্যেই চারা রোপন শেষ করতে হবে। সময় মত আমন ধানের চারা রোপন না করলে ফলন ভাল হবে না। ভাল ফলনের জন্যই আমরা মাঠে নেমে পড়েছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মেহেদী হাসান জানান, শ্রাবনের প্রথম আর্ধে কিছুটা অনাবৃষ্টির কারণে কৃষকরা সেচের মাধ্যমে আমন চারা রোপন করলেও এখন পর্যাপ্ত বুষ্টিতে কৃষকের জমিতে পানি জমে যাওয়ায় আমন চারা রোপনে ব্যস্ত রয়েছেন। আমরা কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চারা রোপন ও সার প্রযোগে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































