গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আখের গুড় উৎপাদন করে বাজারে গুড়ের ভাল দাম পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন গুড় উৎপাদনকারী আখ চাষীরা। আর ভাল দামে লাভবান হওয়ায় উপজেলার চরাঞ্চলের বালুময় পরিত্যাক্ত জমিতে আখ চাষেও উৎসাহিত হচ্ছে চাষীরা।
উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত করতোয়া, কাটাখালি, বাঙালি সহ অন্যান্য নদীর চরাঞ্চলের বালুময় জমিতে চাষ করে আখ ছাড়া অন্য কোন ফসলেই তেমন লাভবান হওয়া যায় না। এছাড়াও অন্য ফসল চাষ করে প্রতিবছরই বন্যার আশংকায় আতংতিক থাকে কৃষকরা। তাই এ সব জমিতে এখন একমাত্র পরিচিত ফসল হয়ে ওঠে আখের চাষ। কিন্ত, হঠাৎ রংপুর চিনিকল বন্ধ হওয়ায় আখ চাষ করেও বিপাকে পরে কৃষকরা। তারপরে বন্ধ করেনি আখ চাষ। এখন এই আখ চাষই তাদের অনেক সফলতা এনে দিয়েছে। চিনিকল কল বন্ধ থাকায় আখ মাড়াই করে শুরু করে গুড় তৈরী। বর্তমানে এক মণ গুড় ২হাজার থেকে ২হাজার ১০০ টাকা। আর এক মণ গুড় তৈরিতে লাগে ৫ থেকে ৬ মণ আখের রস। কৃষকরা জানান, প্রতিমণ গুড় বিক্রি করে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা লাভ হচ্ছে।
উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের গোশাইপুর গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, দাম ভাল পাওয়ায় এই এলাকার বেশীর ভাগ আখ চাষীরা চিনিকল বন্ধ থাকায় আখ মাড়াই করে গুড় উৎপাদন করছেন। বাজারে দাম ভাল পাওয়ায় বেশ লাভবান হচ্ছে। তিনি আরো বলেন এবার মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে দাম কম থাকলেও এখন শেষ মৌসুমে গুড়ের ভাল দামে ভালবান হচ্ছেন। এই গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, গুড়ের ভাল দামে এলাকা আখের চাষ বেড়েছে।
রংপুর চিনিকলের ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, গত মৌসুমের চেয়ে এবার আখ রোপন বেড়েছে।
আমন্ত্রণ/এজি


































