মো. আজিজার রহমান, খানসামা (দিনাজপুর) :
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়া থেকে এক গৃহবধূর আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর গলায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত লাবনী আক্তার নীলফামারীর জেলার সদর থানার বেতলাগাড়ী ইউনিয়নের মোস্তাকিমের মেয়ে ও ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড দুবলিয়া দোলাপাড়া ছাইদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি ১ সন্তানের জননী। ৫ বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল।
আজ সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল ৯টায় পরিবারের লোকজন নিজ স্বয়ংকক্ষের জানালা দিয়ে লাবনী আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশ খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২০ দিন যাবৎ নিখোঁজ ছিলেন লাবনী আক্তার। নিখোঁজ হাওয়ার ২০ দিন পর গত রোববার (১৩ জলাই) তার নিজ ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি আপোষ মীমাংসার হলে স্বামীর বাড়ি আসেন লাবনী আক্তার।
এবিষয়ে স্বামী ছাইদুল ইসলাম ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, এর আগে ৪বার লাবনী আক্তার ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বাড়িতে ঝগড়া সৃষ্টি করে বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহত লাবনী আক্তারের স্বামী ছাইদুল ইসলাম নীলফামারী উত্তরা ইপিজেটের চাকরি করেন, সেই কারণে সকাল তার কর্মস্থলে চলে যান। নিহত লাবনী আক্তারের স্বামী জানান, সকালে কথা হয় তার সাথে সে কেন এই কাজ করলো তা বুঝতে পারছি না। তবে মেয়ে এবারের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।
খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
আমন্ত্রণ/এসিজি


































