বগুড়া ব্যুরো :
ঈদ মানেই আনন্দ। আর এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঈদের ছুটিতে সব বিনোদনকেন্দ্রে ছুটতে থাকেন মানুষ। তাই এবার ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুত বগুড়ার সব বিনোদনকেন্দ্র। তবে বগুড়ায় দুই একটি ছাড়া তেমন কোনো বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। বেশির ভাগ মানুষের আনাগোনা দেখা যায় মহাস্থান গড় কেন্দ্রিক। এছাড়াও কিছু মানুষ যমুনা নদী ওরে যান বিনোদন নিতে। অন্য সময়ের তুলনায় ঈদের ছুটিতে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বেশি দর্শনার্থীর পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। তবে এবার টানা ৯ দিনের লম্বা ছুটি। এতদিন বাসায় শুয়ে-বসে টিভি দেখে কাটানোও বিরক্তিকর। তাই এই সময় ঘরে বসে না থেকে শহরবাসীর অনেকেই পরিবার নিয়ে ছুটবেন বিনোদনকেন্দ্রে।
বগুড়ায় বিনোদন কেন্দ্রেগুলোর মধ্য রয়েছে শহরে ওয়ান্ডার ল্যান্ড পার্ক, শহরতলীর নওদাপাড়ায় মমইন বিনোদন পার্ক। এছাড়ার শহরের বাইরে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে প্রাচীন বাংলার রাজধানী আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন জনপদ পুন্ডনগরী মহাস্থানগড়, বেহুলা-লখিন্দরের বাসরঘর খ্যাত গোকুল মেধ, রাজা পরশুরামের বাড়ি, দুধপাথর, জিয়ৎকুন্ডু, জাহাজঘাটা, গোবিন্দ ভিটা, মহাস্থান প্রতœতাত্তি¡ক জাদুঘর, ভাসুবিহার, বিহার নরপতির ধাপ। এর বাইরে রয়েছে সারিয়াকান্দিতে যমুনার নদীর চরাঞ্চল, কালিতলা গ্রোয়েন, প্রেম যমুনার ঘাট, হার্ডপয়েন্ট।
ঈদের প্রস্তুতি সর্ম্পকে মহাস্থান প্রতœতাত্তি¡ক জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা জানান, ঈদের ছুটি বেশি থাকায় এবার দর্শনার্থীদের চাপ বাড়তে পারে। এজন্য ঈদের দিন মহাস্থান জাদুঘর ছাড়া সবগুলো প্রতœসাইট খোলা রাখা হবে। ঈদের পরদিন থেকে জাদুঘর খোলা থাকবে। প্রস্তুতি হিসেব আমরা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়। আমারদের নিজস্ব আনসার বাহিনী রয়েছে। তারপরও আমরা নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভালের জন্য শিবগঞ্জকে অবগত করেছি।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান বলেন, বিনোদনকেন্দ্রে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি থাকবে।’বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, ঈদে লম্বা ছুটির কারণে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়বে। বিনোদনকেন্দ্রে আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করব। পাশাপাশি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকেও নজরদারি থাকবে।’
আমন্ত্রণ/এসিজি
ঈদের ছুটিতে প্রস্তুত মহাস্থানগড়ের প্রত্নস্থল
মার্চ ৩০, ২০২৫


































