বগুড়া ব্যুরো:
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন. ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ফেরাউনের ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছিল, তারা নাকি ক্ষমতা থেকে সরবে না, হাসিনা পালাইনা, কিন্তু ভাত পাক করে খেয়েও যেতে পারেনি। হাজার হাজার মায়ের কোল সন্তানহারা হয়েছে। সেই দেশে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে নির্বাচন করবে তা হতে পারে না। আগে খুনিদের বিচার তারপর নির্বাচন।
শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের সাতমাথা মুক্তমঞ্চে সংগঠনের জেলা শাখার গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির প্রতি আহবান জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা ও বিচারের দাবি ও সংস্কারের দাবিতে একমত পোষন করবেন। সমস্ত দল ও সকল ধর্ম পেশার মানুষদের বলবো, পাশের রাজ্য ভারত আমাদের সঙ্গে কখনই বন্ধুত্ব আচরণ করেনি, তারা খুনি হাসিনা ও তার দোষরদেরকে জায়গা দিল। আমাদের অশান্তি করে আপনারাও শান্তিতে থাকতে পারবেন না।
চরমোনাই পীর বলেন, নারী সংস্কার কমিশনসহ তাদের কুরআন সুন্নাহবিরোধী প্রস্তাবনা বাতিল করতে হবে। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করে দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার করতে হবে। তাদের অবৈধ সম্পদ বায়েজাপ্ত করে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে। ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির লক্ষে ইসলামী সমাজভিত্তিক কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শাপলা চত্বরে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি আ.ন.ম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির আল্লামা আব্দুল হক আজাদ।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতা মাওলানা আব্দুল মতিন, সহকারী অধ্যাপক মুফতি ইমদাদুল হক, মাওলানা শাহজালাল, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা আব্দুল লতিফ, মুহাম্মাদ শাহিন আলম, মুহাম্মাদ সোহরাব হোসেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম শফিক, প্রভাষক মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু, মাওলানা আলতাব আলী, মাওলানা সুলতান মাহমুদ, আব্দুর রউফ রাজু, মুহাম্মাদ ফরহাদ হোসেন মন্টু, মুহাম্মাদ নাঈম হাসান। এর আগে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গণসমাবেশে যোগ দেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































