বগুড়া ব্যুরো ও ধুনট প্রতিনিধি :
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় শ্বশুর বাড়ীতে তালাক দেওয়া নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক স্বামী আপেল মাহমুদকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আপেল মাহমুদ উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের ছোনপচা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
রোববার সকালের দিকে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার নববধূকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও তার জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি (২৪) আপেল মাহমুদের প্রতিবেশী। প্রায় ৬ মাস ধরে প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট আপেল মাহমুদ মেয়েটিকে বিয়ে করে। কিন্ত আপেলের পরিবারের লোকজন এ বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই হাতের মেহেদী না শুকাতেই স্বজনদের চাপে মাত্র সাত দিন পর ২০২৩ সালের ১১ আগস্ট আপেল মাহমুদ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়।
এদিকে নবদম্পতির বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও গোপনে তারা আগের মতোই প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যায়। আপেল মাহমুদ মেয়েটিকে ফের বিয়ে করার কথা বলে একাধিক বার ধর্ষণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ফেব্রæয়ারি আপেল মাহমুদ সাবেক শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে শারীরিক সম্পর্কে কথা বলে। মেয়েটি তখন আপেলকে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ সময় শ্বশুর বাড়িতে ঘরের ভেতর মেয়েটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আপেল মাহমুদ। তখন মেয়েটির চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এলে আপেল মাহমুদ ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে সটকে পড়ে।
এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বাদি হয়ে শনিবার আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতেই আপেল মাহমুদকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার সনদ পাওয়ার পর আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
ধুনটে তালাক দেওয়া স্ত্রীকে ধর্ষণ, স্বামী গ্রেফতার
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪


































