দেবীগঞ্জ সংবাদদাতা :
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ দেবীগঞ্জ সড়কের চার কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে এখন করুনদশা কাছে থেকে দেখলে মনে হবে রাস্তায় পুকুর খনন করেছে কতৃপক্ষ। হাঁটু পরিমাণ গর্তের সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে স্থানীয় লোকজন ও চালকেরা করছেন দুর্ঘটনার শঙ্কা। এ কারণে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক ঝুঁকি নিয়ে ছোটবড় যানবাহন চলাচল করছে সড়কটিতে।এদিকে খানাখন্দের কারন হিসেবে ভারী যানবাহনকে দোষারোপ করছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় লোকজন জানান,দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ থেকে ফুলবাড়ি পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শত শত যানবাহন চলাচল করছে।এছাড়া বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে এ সড়ক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সড়কটি সংস্কার না করায় পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।এসব গর্ত পাড় হয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক সময় সড়কে গাড়ি বিকল হয়ে ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। স্থানীয় তিনপুল তিস্তা পাড়া এলাকার আসলাম গনি ও সামিউল ইসলাম জানান,গত বছরের ঠিক বর্ষা মৌসুমে সড়কটির সংস্কার কাজ হয়। যেনতেন ভাবে কাজ শেষ করায় কয়েকদিন পরেই পিচ উঠা শুরু করে।কিছুদিন পর খানাখন্দে ভরে যায় সড়কটি।এখন হাঁটু পানি।প্রায় সময় ঘটছে ছোটবড় দূর্ঘটনা। ট্রাক্টর চালক শরিফুল ইসলাম জানান, শত শত গাড়ি এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে,কিন্তু এ গুরুত্বপর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করায় এখন সাধারণ মানুষ ও আমাদের কষ্ট করতে হচ্ছে।
জানা যায়,২০২২-২৩ অর্থ বছরে সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে।নিয়ম রয়েছে, সংস্কারের এক বছরের মধ্যে সড়কে কোন ক্ষয় ক্ষতি হলে,পুনরায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করে দেওয়ার।স্থানীয়দের অভিযোগ সংস্কারের কয়েকদিনের মধ্যে সড়কের পিচ উঠা শুরু হয়।তারপর আর ঠিক করা হয়নি।এদিকে বছর না ঘুরতে জামানতের টাকাও তুলে নিয়ে গেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।যদিও কর্তৃপক্ষের দাবী দেড় বছর হয়েছে কাজ শেষ করার।
দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহরিয়ার ইসলাম শাকিল বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই সড়কটি সংস্কার করা হবে।
আমন্ত্রণ/এজি
খানাখন্দকে ভরে দেবীগঞ্জ ভাওলাগঞ্জ সড়ক, দুর্ভোগে পথচারী- দুর্ঘটনার শঙ্কায় যানবাহন চালক ও যাত্রী
জুলাই ১৩, ২০২৪
































