বগুড়া ব্যুরো :
নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা ও বেতন বৈষম্য দূর করাসহ তিন দফা দাবিতে বগুড়ায় অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল থেকে হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কাজ ফেলে হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন। সেখানে অবস্থান নিয়ে তাঁরা তাঁদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন মেডিকেল রেকর্ড কিপার মো. জাকির হাসান, মো. কামরুজ্জামান (মামুন), এরশাদ, শরিফ, রায়হান, মুঞ্জুরুল, ফিরোজ, শাহিন, রফিকুল, সায়েম, আপন, মোশের্দ ছাইফুল, শফিকুলসহ আরও অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি তিনটি দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান। দাবিগুলো হলো-অবিলম্বে নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা, বিদ্যমান বেতন বৈষম্য দূর করে যৌক্তিক ও ন্যায্য গ্রেড নির্ধারণ এবং পে-স্কেল বাস্তবায়নের একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা।
বক্তারা বলেন, আমরা রাষ্ট্রের শত্রু নই, বরং উন্নয়নের অংশীদার। কিন্তু ন্যায্য বেতন ও জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত না করে কোনো উন্নয়নই টেকসই হতে পারে না। আমাদের এই কর্মসূচি কোনো সংঘাতের জন্য নয়, এটি একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি হবে বলেও তাঁরা হুঁশিয়ারি দেন।
কর্মসূচির কারণে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিলেও জরুরি সেবা চালু ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মচারীরা ৭ দফা দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। অবস্থান কমসূচিতে বক্তব্য রাখেন অফিস তত্ত্বাবধায়ক কে এম ফারুক হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুলফিকার রহমান, বগুড়া জেলা কমিটির রফিকুল ইসলাম, প্রজেকশনিষ্ট দোলন মল্লিক, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী সমিতির সভাপতি সোহেল রানা, অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক এ কে এম আকতারুজ্জামান, মিথিলা পারভীন ও সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী আলমগীর হোসেন, হরিশ চন্দ্র সরকার, নাহিদা আফরোজ ও লিখন আহমেদ প্রমুখ।
আমন্ত্রণ/এজি
৯ম পে-স্কেলসহ ৩ দফা দাবিতে cবগুড়ায় শজিমেক কর্মচারি ও প: প: কর্মীদের ধর্মঘট
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬


































