বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে শহরের টিএমএসএস মিলনায়তনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তারেক রহমান সবসময় বলেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। সেই মন্ত্রে বিশ্বাস করেই বিএনপি কাজ করছে। শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে আমরা আগের মতো এবারও পাশে থাকবো। উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়, সেজন্য বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস। এতে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাফ্তুন আহমেদ খান রুবেল ও অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাহিন, কোষাধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন।
এছাড়া বক্তব্য দেন পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম কুমার দাস, শিবগঞ্জ উপজেলা সভাপতি রাম নারায়ণ কানু, সোনাতলা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা বিকাশ কর্মকার, ধুনট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ বিকাশ কুমার সাহা, শাজাহানপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক সরকার, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ দে, ইসকন বগুড়ার অধ্যক্ষ খরজিতা কৃষ্ণদাস, জয়গুরু আশ্রমের শ্রীমদ স্বামী ধর্মেশ্বানন্দ সরস্বতী মহারাজ, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজ, সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার তালুকদার, দীপক রায়, শেখর রায় প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায়।
বগুড়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার ১২টি উপজেলায় ৬৮১টি মন্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এরমধ্যে সদরে ১১৯টি, শিবগঞ্জে ৬১টি, আদমদীঘিতে ৬৫টি, দুপচাঁচিয়ায় ৪৫টি, কাহালুতে ৩৩টি, নন্দীগ্রামে ৪৭টি, শাজাহানপুরে ৪৮টি, গাবতলীতে ৭৫টি, সোনাতলায় ৪৭টি, শেরপুরে ৮৪টি, ধুনটে ৩৪টি ও সারিয়াকান্দিতে ২৩টি মন্ডপে দুর্গার্পজা অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২৮ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হবে পাঁচদিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব। ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে পর্দা নামবে বৃহৎ এ ধর্মীয় উৎসবের।
মতবিনিময় সভায় ১২টি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের তিন শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































