আব্দুর রাজ্জাক আশিক, ধুনট (বগুড়া) প্রতিবেদক :
বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে স্বামীর নির্যাতনে আহত বর্ষা আক্তার (১৪) নামে এক নববধূকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নববধূর মা মাজেদা খাতুন বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে নববধূর স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিমগাছি গ্রামের রকিবুলের ছেলে রায়হানের (২২) সঙ্গে ফেসবুকে টাঙ্গাইল জেলা সদরের বড়বেলতা গ্রামের বাবুলের মেয়ে বর্ষা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বর্ষা আক্তার স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলছাত্রী বর্ষা বিয়ের জন্য রায়হানকে চাপ দেয়। কিন্ত রায়হান ও তার পরিবারের লোকজন বর্ষাকে বিয়ে করতে রাজী হয়নি। এ অবস্থায় ২ জুলাই বর্ষা বিয়ের দাবিতে রায়হানের বাড়িতে অবস্থান নেয়। অবস্থা বেগতিক ভেবে ৭জুলাই বর্ষাকে বিয়ে করে রায়হান।
এদিকে বাসর রাত থেকেই বর্ষার ওপর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন চালায় রায়হান ও তার পরিবারের লোকজন। তাদের নির্যাতনে আহত হয়ে ৯ জুলাই বর্ষা খাতুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। পরের দিন দুপুরে বর্ষা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের হলে রায়হান ও তার লোকজন অপহরণ করে। অজ্ঞাত স্থানে বর্ষাকে আটক রাখা হয়েছে। ফলে বর্ষার কোন সন্ধান মিলছে না। সংবাদ পেয়ে বর্ষার মা এলাকায় এসে মেয়েকে না পেয়ে ১২জুলাই রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ওই অভিযোগে রায়হান সহ ৫জনকে আসামি করা হয়েছে।
ধুনট থানার এসআই অমিত হাসান মাহমুদ বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। রায়হান ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পলাতক রয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































