প্লাবন শুভ :
আমার ঘরওে জ্বালা বাইরওে জ্বালার,ে জ্বালা রাইতে দনি’ে বারী সদ্দিকিীর এই গানটি যনেো র্বতমানে মশার উপদ্রবে বাস্তবতার সাথে মলি খয়েছে।ে রাতওে মশা, দনিওে মশা। ঘরওে মশা, আবার ঘররে বাহরিওে মশা। মানুষ কোথাও যে গয়িে একটু বসব,ে তার উপায় নইে। মশার গুনগুন গানরে শব্দে ঘুমানো দায়।
মশা মারতে গয়িওে কি এক জ্বালা! কখনো গাল,ে কখনও কপালে আবার কখনও পায়ে এমনকি কানে নজিরে চড় খাচ্ছনে অনকে।ে কয়লে-মশারি দয়িওে কছিু হচ্ছে না। যনে মশার দখলে বাস করছে মানুষ! মশা এখন নত্যিদনিরে সঙ্গী। মশার জ্বালায় দনিাজপুররে ফুলবাড়ী উপজলোর প্রথম শ্রণেরি পৌরএলাকার শশিু থকেে বৃদ্ধ প্রত্যকে মানুষ অতষ্ঠি হয়ে পড়ছে।ে এদকিে মশা নধিনে ওষুধ ছটিানোসহ ড্রনে পরষ্কিার কংিবা জঙ্গল পরষ্কিারে পৌর র্কতৃপক্ষও কোনো ব্যবস্থা নচ্ছিে না এমনটাই অভযিোগ পৌরবাসীর।
পৌরসভা ও পৌরবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গছে,ে প্রথম শ্রণেরি এই ফুলবাড়ী পৌরসভা রয়ছেে ৯টি ওর্য়াড ও ২৯টি মহল্লা, ৫ টি বস্তি ও ২টি হাট-বাজার নয়িে গঠতি। এ পৌরশহরে লোকসংখ্যা প্রায় ৫৬ হাজার। এই পৌর এলাকাটকিে দুই ভাগে বভিক্ত করছেে মধ্যশহররে ছোট যমুনা নদী।
এক সময় প্রবহমান ছলি র্খরতা নদীট।ি কন্তিু র্দীঘদনিরে দখল ও দূষণে পুরো নদী এখন মরা খালে পরণিত হয়ছে।ে এ নদীতে পড়ছে পৌরসভার ময়লা-আর্বজনা, ড্রনেজে ও বাসাবাড়রি ময়লার পান।ি ময়লার ভাগাড়ে পরণিত হওয়া নদ থকেে লাখ লাখ মশা বংশ বস্তিার করছ।ে
পৌরসভার সড়কে পড়ে আছে ময়লার স্তুপ ও পচা পান।ি এমনকি ছোট বড় খাল, পুকুর, বাসাবাড়,ি হোটলে ও রস্তেোরাঁ ড্রনেজে পানতিে ময়লার স্তূপ জমে প্রচুর মশা জন্ম নচ্ছি।ে আবার শীতে বৃষ্টপিাত না হওয়ায় প্রাকৃতকিভাবওে মশা নধিন হচ্ছে না ফলে বড়েে গছেে মশার উপদ্রব। মশা নধিনে ওষুধ ছটিানোর কোনো উল্লখেযোগ্য র্কাযক্রম লক্ষ্য করা যায়ন।ি
কথা হয় কলজে পড়–য়া আমনিুল ইসলাম ও সাব্বরি হোসনেরে সঙ্গে তারা বলনে, মশার অত্যাচারে অতষ্ঠি হয়ে পড়ছে।ি কোথাও এক মনিটি নরিাপদে বসা যাচ্ছে না। ইলকেট্রকি ব্যাট, অ্যারোসল, কয়লে জ্বালয়িওে মশার অত্যাচার থকেে রহোই পাচ্ছি না।
চকিৎিসক শশিরি সরকার বলনে, মশার অত্যাচারে অতষ্ঠি। ঘরোয়াভাবে মশা নধিন করা যাচ্ছে না। তা না হলে এডসিসহ অন্যান্য মশা থকেে বাঁচা সম্ভব হবে না। এডসি মশা প্রতকি‚ল পরবিশেওে ডমি ছাড়তে পার।ে ডমিগুলো অনকে দনি টকিে থাকতে পার।ে পানরি র্স্পশ পলেইে এগুলো থকেে র্লাভা হয়। ওইসব মশক নধিন র্কাযক্রম শুরু করার জন্য পৌরসভার দৃষ্টি কামনা কর।ি
উপজলো পরষিদ রোডস্থ কাটহিারধর কালর্ভাট সংলগ্ন বাসন্দিা অনুপ গুপ্ত ও মো. পায়লে বলনে, কাটহিারধর কালর্ভাটরে ওপর নর্মিতি ¯øিপাররে ওপর পৌরসভার পরচ্ছিন্নর্কমীরা ময়লা-আর্বজনা ফলোর কারণে সখোনে ময়লা-আর্বজনার ভাগাড় তরৈি হয়ছে।ে বহুবার পৌর র্কতৃপক্ষকে জানানো হলওে পরষ্কিার করা হয়। আবার সখোনইে ময়লা-আর্বজনা ফলো হয়। ফলে সখোনে র্দুগন্ধ ছড়ানোসহ মশা-মাছি জন্ম নচ্ছি।ে যা আমাদরেকে অসহনীয় করে তুলছে।ে দুপুররে পর থকেে ঘরে মশার কয়লে জ্বালয়িে রাখতে হচ্ছ।ে তাতওে ঠকিমতো মশা যাচ্ছে না। আগে পৌরসভার পক্ষ থকেে নয়িমতি মশার ওষুধ ছটিানো হতো। কন্তিু কয়কে মাস ধরে এ র্কাযক্রম লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
পৌরবাজাররে ব্যবসায়ী খোকন সাহা, জব্বার হোসনে ও হাসবিুল বলনে, মশার উপদ্রব এত বশেি যে দোকানে বসে ব্যবসা করা যায় না। কথা বললে মুখরে ভতির ঢুকে পড়।ে মশা নধিনরে জন্য জরুরভিাবে পদক্ষপে নওেয়া দরকার।
মশার উপদ্রবে অতষ্ঠি স্কুল শক্ষিক সঞ্জবি কুমার চক্রর্বতী বলনে, মশার কারণে সারাদনি ঘররে দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছ।ে নাকে মুখে মশা কয়লেরে গন্ধ সহ্য করতে পারছি না। বাসায় তনিটি ছোট বাচ্চা আছ।ে এভাবে চলতে থাকলে ছলে-েময়েসেহ সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ব!
পৌর ময়ের মাহমুদ আলম লটিন বলনে, আজকইে এ বষিয়ে মশা মারা কাজে নয়িোজতি র্কমচারীদরে সাথে আলোচনা করা হয়ছে।ে খুব শঘ্রিই মশা নধিনরে কাজ শুরু করা হব।ে


































