আমিনুল ইসলাম :
রমজানে মাসের শুরুতেই দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর বিভিন্ন হাট বাজারে উঠেছে তরমুজ। মৌসুমি ফল বিক্রেতারা রাস্তার ধারে সাজিয়ে বসেছে তরমুজের পসরা। গরমের তীব্রতা বাড়ায় বেশ হাঁকডাঁক বাড়ছে তরমুজ কেনাবেচায়। তরমুজ বিক্রিও হচ্ছে এখন চড়া দামে।
রমজানের সময় ইফতারে জনপ্রিয় রসালো ফল তরমুজ সবার কাছেই পছন্দের। ইফতারে খাদ্য তালিকায় অন্যান্য ইফতারির সঙ্গে মুখরোচক ফল তরমুজ সবাই রাখতে চান। তাই রমজানে কদর বেড়েছে তরমুজের। সব মিলে রমজানের প্রারম্ভেই ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে তরমুজ ওঠা শুরু করেছে। ইফতারপুর্ব মুহূর্তে হাঁকডাক করে বেচাকেনা করছে বিক্রেতারা।
বিক্রেতা সাহিদুল ইসলাম জানান, সপ্তাহ খানেক ধরে বাজারে আসতে শুরু করেছে তরমুজ। তরমুজ মূলত ডিসেম্বরে চাষ শুরু হয়। এপ্রিল মে মাসে মূলত তরমুজের ভরপুর মৌসুম। বর্তমানে বাজারে যেসব তরমুজ উঠেছে সেগুলো আগাম জাতের তরমুজ। আর এ সব প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা দরে।

তরমুজের পসরা সাজিয়ে হাসিমুখে বিক্রেতাঅপর বিক্রেতা মো. মিল্লাত হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে যে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে, তা আকারে ছোট ও মাঝারি। এগুলো ওজনে ৩-৪ কেজির মত। ফুলবাড়ী বাজারের তরমুজ বিক্রেতা মতিয়ার মিয়া, সোরোয়োদ্দিন জানান তরমুজের বাজার এখনো জমে ওঠেনি। অল্প সময়ের মধ্যে তরমুজের আমদানি আরও বাড়বে।
বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায় বরিশাল, রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালি থেকে বগুড়া ও জয়পুরহাটের আড়ত গুলোতে তরমুজ আসছে সেখান থেকেই পাইকারি দরে নিয়ে আসছেন তারা। বর্তমানে খুচরা বাজারে তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে।
পৌর এলাকার বাসিন্দা রেজাউল আলম বলেন, বাজার থেকে একটা তরমুজ কিনলাম প্রতি কেজি ৬০ টাকা করে ধরেছে। যদিও তারা ৭০ টাকা কেজি বিক্রি করছে। তরমুজের সাইজ ছোট মূলত এগুলা সিজন শুরু হওয়ার আগে বাজারে এসছে। তবুও রোজার দিন ইফতারিতে খাওয়ার জন্য তরমুজটা নিলাম। পুরোপুরি মৌসুম না হওয়া পর্যন্ত খুব একটা স্বাদ হবে না তরমুজের।
বিক্রেতা মো. নুর হোসেন মানিক বলেন তরমুজের মূল মৌসুম আসতে এখনো কিছুদিন বাকি আছে। তাই সাধারণ মানুষ মনে করছে এই তরমুজ এখন টেস্ট পাওয়া যাবে না। সে কারণে তুলনামূলক ক্রেতা কম এখন। আরও ১০-১৫ দিন পর থেকে হয়তবা মানুষ তরমুজ কিনতে শুরু করবে কিন্তু আসলে এই তরমুজ খুব টেস্টি এবং মিষ্টি।
আমন্ত্রণ/পিএস
ফুলবাড়ী বাজারে উঠছে তরমুজ
মার্চ ৫, ২০২৫
































