বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হেয় করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ঝাড়– মিছিল করেছে নারী পুরুষরা। রোববার (২ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে বগুড়া শহরের স্টেশন রোডে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ঝাড়ু মিছিলটি শুরু হয় এবং জিরো পয়েন্ট সাতমাথায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে পুরুষদের পাশাপাশি শত শত নারীও অংশ নেন।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলোনীবাসীর পক্ষ থেকে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে যুবদল নেতা আবু হাসানের বিরুদ্ধে বসত-বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে দাবি করেন কলোনীর বাসিন্দাদের পক্ষে জনৈক মিজানুর রহমান মিজান যুবক। তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নেরও উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে এলাকার বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা আবু হাসানের বিরুদ্ধে বসত-বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উত্থাপনকারী জিন্নাত আরাকে ‘ধুরন্ধর’ নারী উল্লেখ করে বলা হয়, ‘যুবদল নেতা আবু হাসানোর বিরুদ্ধে শনিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে জিন্নাত আরা নামে যে নারী সংবাদ সম্মেলনে করেছেন তিনি কলোনী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল হোসেনের স্ত্রী। বর্তমানে পলাতক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ভুমি দস্যুতা এবং ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল হোসেনের অপর দুই ভাই ঝন্টু এবং মিনকোও শীর্ষ সন্ত্রাসী। কয়েক বছর আগে পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে সন্ত্রাসী মিনকো মারা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা আবু হাসানকে নম্র এবং ভদ্র উল্লেখ করে বলা হয়, আবু হাসানের ৪৫ লাখ টাকার গাড়ির তথ্যকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তার নামে গাড়ি তো দূরের কথা একটি মোটর সাইকেলও নেই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান মিজান, জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, উত্থাপিত অভিযোগগুলো আগামী ৭ দিনের প্রমাণ করতে না পারে তাহলে জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া ভুয়া নামে ফেসবুকে যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে যুবদল নেতা আবু হাসানের চরিত্র হনন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি

































