বগুড়া ব্যুরো :
ঢাকার মোহাম্মদপুরে গ্রেফতার বগুড়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান সফিক ও তার স্ত্রী বগুড়া জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মাহফুজা খানম লিপিকে বগুড়ার আদঅলতে আদালতে হাজির না করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে শফিক ও তাঁর স্ত্রীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যানে ডিম নিক্ষেপের পর বিক্ষোভ করে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আবু সুফিয়ান শফিক ও তাঁর স্ত্রী মাহফুজা খানম লিপি আত্মগোপন করেন। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
এরপর বগুড়া সদর থানা-পুলিশের একটি দল তাদের বগুড়ায় নিয়ে আসে। রাতে শফিক ও তাঁর স্ত্রীকে আদালতে হাজির করা হবে এমন সংবাদে বগুড়া শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব মমি ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। এ সময় আদালত চত্বরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ অবস্থান নেয়। সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে শফিক ও তাঁর স্ত্রী লিপিকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আদালত চত্বরে পৌঁছালে মিছিল থেকে প্রিজন ভ্যান লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ শুরু করা হয়। একপর্যায়ে তাঁদের আদালতে না তুলে পুলিশ ও সেনাসদস্যদের পাহারায় প্রিজন ভ্যান কারাগারের দিকে চলে যায়। বিক্ষোভকারীরা নানা ধরনের শ্লোগান দেন।
বগুড়া শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব মমি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা শফিক গত ১৫ বছরে আমাদের ওপর জুলুম নির্যাতন করেছে। এ ছাড়া তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। ৫ আগস্টের পর তিনি স্ত্রীসহ আত্মগোপন করেন। আজকে তাঁকে কারাগারে আনার খবর পেয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।’
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, নিরাপত্তার কারণে শফিক ও তাঁর স্ত্রীকে আদালতে হাজির না করেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































