আমন্ত্রণ প্রতিবেদক, হিলি :
দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বানিজ্যে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা গণমাধ্যমে এসব সমস্যার কথা তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বন্দরের সংশ্লিস্ট ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে ব্যবসা-বানিজ্য বাড়ানো সহ বন্দরের রাস্তাঘাট উন্নয়নে অন্তর্বর্তী সরকারের নজর দেওয়া দরকার বলে মনে করেন তারা।
আজ সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে ব্যবসায়ী নেতারা এই বিষয়গুলি তুলে ধরেন। হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
সংগঠনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমানের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন, সহ-সভাপতি মো. মুশফিকুর রহমান চৌধুরী ও সি, এম মানিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহীনুর ইসলাম মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক এস এম বিপুল আহমেদ। সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য দেন, হাকিমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন বুলু, সাবেক সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরাদ ইমাম কবির ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন ও শাসসুল হুদা।
বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট নেতারা বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দর হলেও কাস্টমস সহ বিভিন্ন সংস্থার বৈষম্যের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বানিজ্য সেভাবে বৃদ্ধি পায়নি। তাদের হয়রাণী ও আর্থিক ক্ষতির ভয়ে ব্যবসায়ী পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ফলে দিনে-দিনে স্থবির হয়ে পড়ে বন্দরের ব্যবসা। সরকারও একারণে তার কাঙ্খিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অনেক আইটেম এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি করতে যে বিধি নিষেধ দেওয়া আছে তা অবিলম্বে তুলে নিয়ে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করতে সুযোগ দিতে হবে।
তারা আরও বলেন, আগে ৪০০ এর উপরে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক আসলেও এখন এসব সমস্যার কারণে আসছে ৪০টির মতো। তাই যে কারণে ব্যবসা বাঁধাগ্রস্ত হয়েছে সেসব বিষয়গুলি নিরসন বা সমাধানের জন্য আমরা নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা এই বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব করতে চাই। আর যেন কোন ব্যবসায়ীকে পণ্য আমদানি বা রপ্তানি করতে কোন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিন হতে না হয়? আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতা চাচ্ছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি
হিলি বন্দরে ব্যবসা-বানিজ্য বাড়াতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আর কোন বৈষম্য সহ্য করা হবে না
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৪
































