বগুড়া ব্যুরো:
আট মাসের শিশু ওমর ফারুককে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে অটোরিকশাচালক আবু বক্কর ও তার স্ত্রী লাবন্য আক্তার।ওই শিশুর হার্টে বড় ধরনের ফুটো ধরা পড়েছে। তাকে বাচাঁতেই এই দম্পতির লড়াই করছেন।
প্রতিদিন মার্কেটের সামনে ছোটশিশুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক মা, হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন সবার সামনে, কেউ টাকা দিচ্ছেন কেউবা এড়িয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই প্রায় দিনই সন্তানকে কোলে নিয়ে ওষুধের টাকা জোগার করতে মানুষের কাছে হাত পাতছেন মা লাবন্য আক্তার। কখনও শিশুর বাবাও এসে দাঁড়াচ্ছেন পাশে। চাইছেন সহযোগিতা, যেন বেঁচে থাকে বুকের ধন। সন্তানকে বাঁচাতে আকুতি জানাচ্ছেন সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের কাছে।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার দুরুলিয়া পশ্চিমপাড়ার অটোরিকশাচালক আবু বক্কর ও গৃহিনী লাবন্য আক্তারের ২য় সন্তান ওমর ফারুক, সাতমাস পেরিয়ে বয়স এখন আট মাস। দরিদ্র হলেও সুখের কমতি ছিল না, ঘর আলো করে আসে ওমর ফারুক, আনন্দেই কাটছিল দিন তাদের। তবে সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। শিশুটি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ে, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হবার পর চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন ফারুকের বাবা মা। ৫ মাস বয়সে ঢাকায় পরীক্ষা নিরিক্ষার পর জানতে পারে হার্টের ফুটো বেশ বড়, আর ফুসফুস নালীও চিকন। খুব দ্রুত তার অপারেশন করতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা। শিশু ফারুকের বাবা ভাড়ায় চালিত অটোরিকশা চালিয়ে কোনমতে জীবনযাপন করেন, সহায় সম্বল বলে কিছুই নেই তাদের।
ফারুকের বাবা অটোরিকশাচালক আবু বক্কর জানান, শিশু ফারুক এখন অসুস্থ, অক্সিজেন সংকটে প্রায় তার, হাত পা ফুলে গায়ের রং নীল হয়ে যায়।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখান থেকেই শহরের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মানুষের কাছে হাত পাতছেন সন্তানের চিকিৎসার জন্য।
শিশুর মা লাবন্য আক্তার বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে চাই, সবার সহযোগিতা পেতে সাহায্য চাই। দেশের বিত্তবান মানুষ আর সরকারপ্রধান যদি আমাদের দিকে একটু নজর দেয় তাহলেও বেঁচে যাবে আমার শিশু। ছোট শিশুকে বাঁচাতে খুব শিগশিরই অপারেশন করতে হবে, ৫ লাখ টাকা দরকার, সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের কাছে আকুল আবেদন বুকের ধন কে বাঁচাতে বাবা মায়ের। সন্তানের চিকিৎসায় বিকাশ ও নগদ নং ০১৩১৭৪৭৯৬৭৬, ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট, আবু বক্কর, ৭০১৭৩১১৩০৩১৩৮।
আমন্ত্রণ/এজি


































