বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে শাকিল আহমেদ নামে এক রিকশাচালককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে শহরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া করতোয়া নদীর ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাকিল আহমেদ শহরের শিববাট্টি এলাকার মৃত হানিফ উদ্দিনের ছেলে। রাতে এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত জিতু ইসলামসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক জিতু বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর।
নিহত শাকিলের মামা সিফাত হোসেন বলেন, ‘আমার ভাগ্নে শাকিলের মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো জিতু ও তার সহযোগীরা। এক পর্যায়ে জিতু বিয়ের প্রস্তাবও দেয়। এতে শাকিল শনিবার সকালে গিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং জিতুকে একটা থাপ্পড়ও দেন। পরে সকালেই জিতু ও তার সহযোগীরা শাকিলকে বেধরক মারধর করেন। তখন জিতুদের কাছ থেকে পালিয়ে এসে বাড়িতে অবস্থান করেন। এরপর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জিতু ৬/৭ মোটরসাইকেলটি নিয়ে আমার ভাগ্নে শাকিলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার একঘণ্টা পর জানতে পারি ফুলবাড়ি মধ্যপাড়া এলাকায় নদীর ধারে শাকিল রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মুকুল বলেন, ‘জিতু জেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক। জিতুর অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। এজন্য জিতুকে দল থেকে বহিস্কার করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।
বগুড়ার সদর থানার ওসি হাসান বাসির জানান, নিহতের স্ত্রী মালেকা বেগম বাদি হয়ে রাতে বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জিতুসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































