কোর্ট প্রতিবেদক, বগুড়া :
বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার রায়ে বগুড়ায় অভিযুক্ত ৩ ফেন্সিডিল কারবারীর ২ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা. অনাদায়ে আরো ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিশা গ্রামের মৃত গায়েন মন্ডল ওরফে বুধো’র ছেলে ইদ্রিস আলী (৫৮), ছয়মুদ্দিনের ছেলে রেজাউল ইসলাম (৫০) ও নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হোসেন (২৮)।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ইদ্রিস আলী জামিনে গিয়ে পলাতক আছে এবং গ্রেফতারের পর হতে তার সাজা কার্যকর হবে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বগুড়ার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল ন-২ এর বিচারক ১ম অতিরিক্ত দায়রা জজ ইফতেখার আহমেদ এই মামলার রায় দেন।
উল্লেখ্য, ক্রাইম প্রিভেনশন ও স্পেশালাইজড কোম্পানী র্যাব- ১২ বগুড়ার জেসিও নায়েব সুবেদার (ডিএডি) মো. আশরাফুল ইসলাম সঙ্গীয় র্যব সদস্যদের নিয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর এলাকায় ডিউটি করাকালে গত ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে দুপচাঁচিয়া বিশাগ্রামের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইদ্রিস আলীর বাড়ি ঘেরাও করে। র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি ইদ্রিস আলী দৌড়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এসময় র্যাব সদস্যরা ওই বাড়িতে উপস্থিত আসামি নাজমুল হোসেন ও রেজাউল ইসলামকে ধৃত করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের দেখানো মতে আসামি ইদ্রিস আলীর বাড়ির ঘরের ২ টি চটের বস্তায় রাখা ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ৩১০ বোতল ফেন্সিডিল র্যাব সদস্যরা উদ্ধার সহ জব্দ তালিকা মুলে জব্দ করেন। জব্দকৃত ফেন্সিডিল ও ধৃত আসামিদ্বয় দুপচাঁচিয়া থনায় সোপার্দকরে।
এব্যাপরে র্যাব- ১২ বগুড়ার জেসিও নায়েব সুবেদার (ডিএডি) মো. আশরাফুল ইসলাম বাদি হয়ে ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করে। মামলাটি পরিচালনা করেন বাদি রাস্ট্র পক্ষে অতিরিক্ত পিপি এড. আরাফাত খাতুনে জন্নাত নীলা এবং আসামি পক্ষে এড. বিনয় কুমার দাষ (বিশু), এড. পলাশ মহমুদ ও এড. কামরুজ্জমান সোহেল।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বগুড়ায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩ ফেন্সিডিল কারবারীর জেল
মে ২৯, ২০২৫
































