বগুড়া ব্যুরো:
বগুড়ার জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান করিম মো. শাহরিয়ার আরিফ ওপেলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালতের বিচারক সুকান্ত সাহা এ আদেশ দেন। আদেশটি বগুড়া সদর থানার ওসি বরাবর প্রেরণ করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। ওপেল বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বগুড়া শহরের শেরপুর রোডস্থ সাবেক ২০১৪ দাগে চারতলা এটিএম প্লাজা সংলগ্ন একতলা টিনশেড ভবনটির মালিক ছিলেন সাবেক এমপি ও মন্ত্রী মামদুদুর রহমান চৌধুরী। গত ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর ছয় বছর পর গত বছরের ৬ জুলাই আওয়ামী লীগ নেতা ওপেলসহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা এসে ৩০০/- টাকার ননজুডিয়াল স্ট্যাম্পে মামূদুদুর রহমান চৌধুরীর জাল স্বাক্ষরিত একটি ভুঁয়া ডিড দেখিয়ে বলেন, মামদুদুর রহমান চৌধুরী মৃত্যুর আগে তিন কোটি টাকা নিয়ে ওই সম্পত্তির ২৯০০ স্কয়ার ফিট জায়গা পজিশন বিক্রয় করে গেছেন। এ কথা বলে আওয়ামী লীগ নেতা ওই সম্পত্তি দাবি করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন।
পরে মামদুদুর রহমানের ছেলে যোবায়ের রহমান চৌধুরী গত বছেরর ১৪ আগস্ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগটি আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বগুড়ার পুলিশ সুপার তদন্ত শেষে বাদীর অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আাসামী রায়হান করিম মো. শাহরিয়ার আরিফ ওপেলের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। আদালত তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারীর নির্দেশ দেন।
মামলাটির বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আবু বকর সিদ্দিক (৩) জানান, মামলাটি তদন্তকালে পিবিআই জানতে পারেন, আসামী ৩০০ টাকার ননজুডিয়াল যে স্ট্যাম্পগুলোতে মামদুদুর রহমান চৌধুরীর সাক্ষর জাল করে যে ভুয়া চুক্তিনামা (ডিড) সৃষ্টি করেছিলেন ওই ডিডের অভিযোগ তদন্তকালে আসামীপক্ষ পুলিশের কাছে ডিড দাখিল করেনি। আদালত বিষয়টি জানার পর, জালিয়াতি, প্রতারণা ও আত্মসাৎ এর ধারায় আাসামীকে অভিযুক্ত করে গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ দেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































