হিরেন্দ্রনাথ বর্মন হিরু, আমন্ত্রণ প্রতিবেদক :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাত্র চারদিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে প্রতিকেজিতে ৪০ টাকা। চারদিন আগে যে কাঁচা মরিচ স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ২৮ থেকে ৩০ টাকায়, এখন সেই কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭০টাকায়। কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।
উপজেলার আমডুঙ্গি আদিবাসীপাড়ার মরিচ চাষি মাইকেল মুর্মু বলেন, ২০ শতক জমিতে মরিচ চাষ করেছিলেন। প্রত্যেকটি গাছে ব্যাপকভাবে মরিচ ধরেছিল। আর ৫-৬দিন পরেই মরিচগুলো তুলে বাজারে বিক্রি করা যেতো। কিন্তু ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে সকাল পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়োবৃষ্টিতে ক্ষেতের মরিচসহ অধিকাংশ গাছের গোড়া পচে মরে গেছে। এরপরও সামান্য কিছু গাছ বেঁচে আছে, সেগুলোর মরিচ পাইকারি বাজারে ৫৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি করেছেন।
ফুলবাড়ী পৌরবাজারে বাজার করতে আসা সাইফুর রহমান বলেন, বাজার করতে এসে মাথা ঠিক থাকছে না। কোন পণ্যের দাম কখন কি পরিমাণে বাড়বে তা বলা মুশকিল। চারদিন আগে যে কাঁচা মরিচ ২৮-৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলো, এখন সেই মরিচ কিনতে হচ্ছে ৭০ টাকা কেজিতে। মাত্র চারদিনের মধ্যেই কেজিতে দাম বেড়ে গেছে ৪০ টাকা।
পৌর সবজি বাজারের খুচরা বিক্রেতার হারুন উর রশীদ বলেন, পাইকারী বাজার থেকেই বেশি দামে কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে।
পাইকারি বাজারের কাঁচা মরিচ আড়তদার এনামুল হক বলেন, পাইকারী বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম এবং মোকামে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, কয়েকদিনের ঝড়োবৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আবাদকৃত কাঁচা মরিচ ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে।
নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ হাছান বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে। অযৌক্তিকভাবে কেউ কোনো পণ্যের দাম বাড়িয়ে বেচাবিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমন্ত্রণ/এজি

































