রীতা রানী কানু :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত তিনদিনের ব্যবধানে সবজি ভেদে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। অধিকাংশ শাক-সবজির দাম কমলেও আলু, পেঁয়াজও চালের দাম রয়েছে স্থিতিশীল। শাক-সবজির দাম কমে আসায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতা সাধারণের মাঝে।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৪৫ টাকা কেজির পটল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়, ১৮০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকায়, ৪০ টাকার বেগুন ৩০ টাকায়, ৭০ টাকার করলা ৬০ টাকায়, ৬৫ টাকার কাকরোল ৫৫ টাকায়, ৫০ টাকার পিচের লাভ আকার ভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, ৪৫ টাকার চাল কুমড়া ৩০ টাকায়. ৪৫ টাকার ঢেঁড়স ৩৫ টাকায়, ৪০ টাকার তরই ৩৫ টাকায়, ৫৫ টাকার ঝিঙ্গে ৪৫ টাকায়, ১৭০ টাকার টমেটো ১৬০ টাকায়, ৪০ টাকার শসা ৩০ টাকায়, ৫০ টাকার বরবটি ৪৫ টাকায়, ক্যারেট আলু ৪৫ টাকা, পাটনাই ৫০ টাক আর বিলাতি আলু ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
পাইকারি সবজি বিক্রেতা দীপক কুমার বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে সব ধরনের সবজির আমদানি বেড়ে যাওয়াসহ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজি এক সঙ্গে বাজারে ওঠার জন্য সবজির দাম কিছুটা কমে এসেছে। তাছাড়া বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের জন্য অন্য স্থানে সবজি পাঠানো না যাওয়ার জন্যও দাম কমেছে। বাজার করতে আসা সাবেক কলেজ অধ্যক্ষ জিলস্নুর রহমান বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের পক্ষে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যায়। তবে সবজির দাম কমে আসায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে।
উপজেলা ধান-চাল আড়ৎদার পৌর কাউন্সিলর হারান দত্ত বলেন, সাম্প্রতিক দেশের অস্থিরতার জন্য চালকলগুলো চাল উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ করতে পারেনি। ফলে চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বর্তমানে বাজারে ধানের দাম একটু বাড়তির দিকে থাকায় সামনের দিনগুলোতে চালের দাম বাড়তে পারে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































