আব্দুর রাজ্জাক আশিক, ধুনট (বগুড়া) প্রতিবেদক :
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় মেয়েলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালিস বৈঠকে রায় ঘোষণার সময় দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় কুপিয়ে জখম করা হয় জেলা ছাত্রদলের এক নেতা ও এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জনকে। সংঘর্ষের সময় বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে।
আহতরা হলেন—জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণদ সম্পাদক ও ধেরুয়াহাটি গ্রামের আল-মাহমুদ সরকারের ছেলে জাকির হাসান (২৫), আশাদুল ইসলাম (৪৫), নজরুল ইসলাম নজু (৪০), ইউনুস আলী (২৮), এসএসসি পরীক্ষার্থী পলাশ হোসেন (১৭), আব্দুর রাজ্জাক (৩৮), আলমগীর হোসেন (৩৩) ও বাচ্চু সেখ (৪২)। তাদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে ধুনট উপজেলার ধেরুয়াহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার সকালে আক্রান্তদের মধ্যে আইয়ুব আলী বাদী হয়ে ধুনট থানায় নাসির উদ্দিন ও জেল হকসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেয়েলি ঘটনা মীমাংসার জন্য আইয়ুব আলীর বাড়িতে সালিস বৈঠক বসে। বৈঠকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় জেল হক ও তার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এবং আইয়ুব আলীর বসতঘর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে।
এ ঘটনায় শনিবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধেরুয়াহাটি ও শিমুলকান্দি গ্রাম থেকে আব্দুর রাজ্জাক (৩৮), আলমগীর হোসেন (৩৩) ও তানভীর হোসেন (২৫) নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, “গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
ধুনটে সালিস বৈঠকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ছাত্রদল নেতাসহ আহত ৮, গ্রেফতার ৩
জুন ১৪, ২০২৫
































