আমন্ত্রণ ডেস্ক :
রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ আগুনের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরীকে। তার নেতৃত্বে তদন্তে আরও কাজ করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ দল, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। এ কমিটি আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে আগামী চার মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডে গ্রিন কজি কটেজ নামের বহুতল ভবনটিতে আগ্নিকাণ্ড নিয়ে দুটি রিট আবেদনের ওপর সোমবার (৪ মার্চ) হাইকোর্টে পৃথক শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ ও ইসরাত জাহান সান্ত্বনা।
এ ছাড়া রাজধানীর স্কুল, কলেজ, শপিং মল ও ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেমন হবে সে বিষয়ে সুপারিশ চেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে এই অনুসন্ধান কমিটি। গত ২৯ মার্চ রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ আগুনে ৪৬ জনের প্রাণ যায়। আরও কয়েকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
গ্রিন কজি কটেজে আগুনের ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত গতকাল রবিবার একটি রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইসরাত জাহান সান্ত্বনা।
বেইলি রোডসহ রাজধানীতে সব আবাসিক স্থাপনায় রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আরেকটি রিট আবেদন করেন আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ।
রিটে বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার ও আহত-নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়। এ ছাড়া বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
ঢাকার বেইলি রোডে আগুনে ৪৬ প্রাণহানি অনুসন্ধানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট
মার্চ ৫, ২০২৪


































