নীলফামারী সংবাদদাতা :
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গুলমুন্ডা ইউনিয়নের ভাবুনচুর শ্যামপুর পাড়ার ধুব নদীর ওপরে সেতু না থাকায় দুই ইউনিয়নের প্রায় ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বিকল্প পথ দীর্ঘ হওয়ায় স্থানীয়রা বাঁশের চাটাই ও কাঠ বিছানো সাঁকো ব্যবহার করে যাতায়াত করেন।বর্ষাকালে নদীতে পানি বাড়লে সাঁকো ভেসে যাওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। তখন অনেকেই কলার ভেলা ব্যবহার করতে বাধ্য হন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর অভাবে জমি চাষ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রায় ৬ কিলোমিটার ঘুরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয়রা। এ কারণে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ খরচ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ওয়াসিম বলেন, “দক্ষিণ পারে উপজেলা শহর, স্কুল-কলেজ, ব্যাংক-বীমা, হাটবাজার সবই আছে। কিন্তু সেতু না থাকায় আমরা উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত।”
অন্য আরেকজন বাসিন্দা সুমন রায় বলেন, “প্রতি নির্বাচনে প্রার্থীরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্বাচনের পর আর খোঁজ নেয় না কেউ। ধুব নদীর ওপর একটি সেতু হলে এলাকার জীবনমান আমূল বদলে যাবে।”
এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা প্রকৌশলী মো. তারিকুজ্জামান বলেন, “ধুব নদীতে সেতু নির্মাণের বিষয়টি নজরে আছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আমন্ত্রণ/এসিজি
জলঢাকার ধুব নদীতে সেতুর অভাবে ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
আগস্ট ৩০, ২০২৫






























