গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুনতাইর ফকিরপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী কিশোরী আশা মনির মৃতদেহ গত ৩১ আগস্ট দুপুরে বাড়ি পাশে কচুক্ষেতে থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আশা মনি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনা বন্ধ করে গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি নেন। সেখানেই পরিচয় হয় একই এলাকার যুবক মিজানুর রহমান ওরফে মাসুদের (১৯) সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৩০ আগষ্ট আশা মনিকে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ১০ মাস অতিবাহিত হলেও কোন সুরহা হয়নি এবং মামলার কোন অগ্রগতি নাই। ফলে অত্র এলাকাবাসী ৩০ জুন বিকালে পাঁচগছি বাজার এলাকায় এক মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে আশামণির পিতা ছাড়াও তার স্বজন ও প্রতিবেশীরা বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ৩০ আগস্ট রাতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আশা মনিকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দশমাস অতিবাহিত হলেও মামলার কোন অগ্রগতি হয়নি জানান নিহত আশা মনির বাবা আশরাফুল। তিনি আরো জানানা, উক্ত মামলার আসামীরা জামিনে এসে বলেন একটা হত্যা করেছি আরো করবো, বলে হুমকি দিচ্ছে। সন্তান হারা বাবা তার আর্তনাৎ কার কাছে বলবে, কার কাছে গেলে সঠিক বিচার পাবে হতাশায় ভুগছে পরিবারটি।
এবিষয়ে মামলার তদন্তকর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মানিক রানা জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে আমরা ফরেন্সসিক রির্পোটের জন্য সিআইডিতে পাঠিয়েছি। তাদের রির্পোট হাতে পেলেই মামলার আসামীকে সনাক্ত করা সম্ভব হবে। তাদের আইনের আওতায় আনা যাবে বর্তমানে আসামীরা জামিনে আছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
গোবিন্দগঞ্জে হত্যা মামলার আসামীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
জুলাই ১, ২০২৫
































