গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এ.আই নেটওয়ার্ক ও চার্মির ক্যাবল নেটওয়ার্কের কর্মচারী সুশান্ত কুমার দাসের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ। এর আগে গত বুধবার রাত ১১ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।
সুশান্ত কুমার দাস উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বামনকুড়ি কৈপাড়া গ্রামের মৃত ধীরেন চন্দ্র দাসের ছেলে এবং পৌরশহরের ঝিলপাড়াস্থ এআই নেটওয়ার্কে ও চার্মির ক্যাবল নেটওয়ার্কে কর্মচারী ছিলেন।
তার সহকর্মী ও কেবল নেটওয়ার্কের কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, কর্মস্থলের ছাদে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক ঘরে সুশান্ত কুমার দাসের ফাঁস লাগনো অবস্থায় ঝুলতে দেখে সহকর্মীরা দ্রæত সুশান্তকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. ফাহাদ আল আসাদ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানান সূত্রে জানা গেছে দাদন ব্যবসাসিদের কাছ থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে হতাশায় পড়েছিল সুশান্ত। দাদন ব্যবসায়ির চাপের কারণে সে আত্মহত্যা করতে পারেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রির্পোট এলে তার মৃত্যুর কারণ জানান যাবে।
আমন্ত্রণ/এজি


































