গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
অপহরণের ৪ মাস পর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অপহৃত স্কুল ছাত্রী আইরিন আক্তারকে (১৬) উদ্ধার এবং অভিযুক্ত অপহরণকারী রাব্বী গাছুকে (১৭) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ ।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই অপহরণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তফিজ উদ্দিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল পুলিশ নিয়ে সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে র্যাব-১০, ঢাকার সহযোগিতায় ঢাকা মহানগরীর লালবাগ থানা এলাকাধীন আজিমপুর রাস্তার যাত্রী ছাউনির ওপর থেকে অপহৃত আইরিনকে পুলিশ উদ্ধার ও অপহরনকারী রাব্বাীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদেরকে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম জানান, ভিকটিমের ২২ ধারা জবানবন্দী নেয়ার জন্য আজ মঙ্গলাবার দুপুর ১টার দিকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করানোর পর তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং অপহরনকারী রাব্বী গাছুকে আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আজাদুল ইসলামের মেয়ে আইরিন আক্তার রামচন্দ্রপুর হাইস্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। স্কুলে যাওয়া আসার পথে পাশ্ববর্তী হরিরামপুর গ্রামের মুক্তার গাছুর ছেলে রাব্বী গাছু (১৭) মেয়েটিকে প্রায়ই ইভটিজিং ও প্রেমের প্রস্তাব দিতো। রাব্বীর এ অনৈতিক প্রস্তাবে আইরিন সাড়া না দেয়ায় রাব্বী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৪ জুন মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে আইরিন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ীর পিছনে টয়লেটে গেলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা রাব্বী গাছুসহ অন্যান্য আসামীরা জোরপূর্বক সেখান থেকে আইরিনের মুখ চেপে ধরে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি আইরিনের জ্যাঠাই মর্জিনা বেগম দেখে চিৎকার করলে তার আগেই তারা মেয়েটিকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।
আইরিনের বাবা আজাদুল ইসলাম শেষে নিরুপায় হয়ে এ ঘটনায় গত ২০ জুলাই গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এ বখাটে রাব্বী গাছুসহ ৩/৪ জনকে আসামী করে অপহরণের অভিযোগে পিটিশন মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত গোবিন্দগঞ্জ থানাকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশনায় পরবর্তীতে গত ১৩ আগস্ট অপহরণকারী রাব্বী গাছুকে আসামী করে গোবিন্দগঞ্জ থানা মামলাটি রেকর্ড করে- মামলা নম্বর ২৩/৩৭২।
আমন্ত্রণ/এসিজি
































