বগুড়া ব্যুরো :
ওয়ালটনের পণ্য ফ্রিজ কিনে ১ লাখ টাকা করে ক্যাশ ভাউচারে পেয়েছেন উত্তরাঞ্চলের ৫ জন ক্রেতা। ওয়ালটনের সম্মানিত ৫ জন ক্রেতাকে সেই ক্যাশ ভাউচার বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে দুপুরে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের হাতে উপহার তুলে দেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান। ওয়ালটন প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনে যারা লাখ টাকা ক্যাশ ভাউচার জিতেছেন তারা হলেন, কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা মিয়াপাড়া গ্রামের আশিকুর রহমান, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দোবিলা গ্রামের আমজাদ হোসেন, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া গ্রামের মেহেরা বেগম। এছাড়া রাজশাহীর চারঘাটের মোস্তফা ইলেকট্রনিক্স থেকে তৌহিদা খাতুন এবং জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আপন এন্টারপ্রাইজ থেকে ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে লাখ টাকা পুরষ্কার পেয়েছেন। ক্যাশ ভাউচারে পাওয়া এই ১ লাখ টাকায় তারা ওয়ালটনের পণ্য কিনতে পারবেন।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পিরব ইউনিয়নের বাসিন্দা ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম গত ১৮ মার্চ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আপন এন্টারপ্রাইজ থেকে ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনেছেন। এরপর ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন। তিনি জানান, ১ লাখ টাকার মধ্যে তিনি ওয়ালটনের ওয়াশিং মেশিন, বেøন্ডার মেশিন, সিলিং ফ্যান কিনবেন। ক্যাশ ভাউচার জেতা আরেকজন সৌভাগ্যবান নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া গ্রামের মেহেরা বেগম। তিনি জানান, ৫৪ হাজার টাকা দিয়ে ফ্রিজ কিনেছেন গত ১৫ মার্চ। এর ২ দিনপর তিনি জানতে পারেন ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন। বিষয়টি জানার পর তার খুব খুশি লেগেছে। তিনি ক্যাশ ভাউচার দিয়ে আরেকটি ফ্রিজ কিনবেন তার মেয়ের জন্য। এছাড়া মোবাইল এবং টিভি কিনবেন। এরপরেও টাকা অবশিষ্ট্য থাকলে অন্য কিছু কিনবেন।
ক্যাশ ভাউচার বিতরণের সময় চিত্রনায়ক আমিন খান আমিন খান বলেন, সারা বাংলাদেশে আমাদের এই ক্যাম্পেইনটি এখন রানিং আছে। ওয়ালটনের ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন অথবা বিএলডিসি ফ্যান কিনলে ক্রেতারা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন। এই ক্যাম্পেইনটি আজ থেকে শুরু হয়নি। এখন সিজন ২২ চলছে। আগে আমরা ২১টি সিজন পার করেছি। এ পর্যন্ত আমি প্রায় ৪৫ জনের উপরে গ্রাহককে এই টাকা হ্যান্ডওভার করেছি আমি নিজে। ১০ লাখ না হলে ২০ লাখ টাকা। ১ লাখ টাকা তো হরহামেশাই দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ওয়ালটনকে আন্তর্জাতিক বলছি কারণ, পৃথিবীর ৪২টি দেশে ওয়ালটন থেকে পণ্য রপ্তানি হয়। এই পণ্যের যদি মান খারাপ হতো তাহলে ৪২টি দেশ থেকে এই পণ্য নিতো? কেউ নিতো না। নিশ্চয়ই এর মান ভালো বলেই তো নেয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম,শাহজালাল হোসেন লিমন, ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মনিরুল হক মনা, চিফ ডিভিশনাল অফিসার জাহিদুল ইসলাম, কাজী আরিফ হোসেন, ওয়াহিদুল ইসলাম, ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার ওবায়দুর রহমান, শাকিল হোসেন ও আবু নাসের প্রধান।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































