বগুড়া ব্যুরো:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্য প্রার্থী মাহমুদর রহমান মান্না জেলা রিটানিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছেন। মান্নাসহ বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের বাদ পড়া ১২ প্রার্থীর মধ্যে ১১ প্রার্থী রিটানিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করছেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভিন্ন দায়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। বগুড়ার ৭টি আসনের জন্য ২ জানুয়ারি থেকে যাচাই বাছাই শুরু হয় এবং ৩ জানুয়ারি যাচাই বাছাই শেষ হয়।
দুই দিনের বাছাইয়ে বগুড়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য জাবেদা কপি উত্তোলন করেছেন শাহাজাদী আলম লিপি।
তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) পর্যন্ত আপিল করার জন্য জাবেদা কপি উত্তোলন করতে আবেদন করেন নি। একইভাবে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু, গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, এবং নাগরিক ঐক্য প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না আপিল করার জন্য জাবেদা কপি উত্তোলন করে আপিল করছেন।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া) আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শাহজাহান আলী তালুকদার, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে এলডিপির প্রার্থী খান কুদরত-ই-সাকলায়েন বগুড়া-৬ (সদর) বাসদের প্রার্থী দিলরুবা, ইসলামী আন্দোলননের প্রার্থী আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ, জেএসডি প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল–ওয়াকি, বগুড়া-৭ (গাবতলী ও শাজাহানপুর) আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী আনছার আলী জেলা রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করছেন।
বগুড়ার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান যাচাই বাছাই এ বাদ পড়া প্রার্থীরা নিজে এসে আবার অনেকে প্রতিনিধির মাধ্যমে জাবেদ নকল সংগ্রহ করে আপিল করেছেন। আগামী ৯ জানুয়ারি পৃয়ন্ত আপিল করা যাবে।
আমন্ত্রণ/এজি


































