বগুড়া ব্যুরো :
জ্ঞাত আয় বর্হিভূত অসাধু উপায়ে অবৈধভাবে ১ কোটি ৯ লাখ ৬ হাজার ৫৭৪ টাকার সম্পদ অর্জনসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দুদকের দায়ের করা মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগ- ১ আনোয়ারা পওর উপবিভাগ চট্টগ্রামের অবসরপ্রাপ্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী ফারাজুল ইসলামের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বগুড়ার দায়রা জজ ও সিনিয়র স্পেশাল জজ একেএম মোজাম্মেল হক চৌধুরী ওই মামলার জামিন শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। সেই সঙ্গে মামলাটি বিচার নিস্পত্তির জন্য বগুড়ার স্পেশাল জজ আদালতে প্রেরণের আদেশ দেন। আসামি ফারাজুল ইসলাম বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দবলাইল গ্রামে মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বগুড়া শহরের মালগ্রামের (সিএন্ডবি গোডাউনের পশ্চিমে) বসবাস করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নূর আলম বাদি হয়ে জেলা কার্যালয়ে ওই আসামির বিরুদ্ধে গত ২০২২ সালের ২১ জুন জ্ঞাত আয় বর্হিভূত অসাধু ও অবৈধভাবে তথ্য গোপন করে ১ কোটি ৯লাখ ৬ হাজার ৫৭৪ টাকার সম্পদ অর্জনসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে, দুদক প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে এই মামলা দায়ের করেন।দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান মামলাটি তদন্ত শেষে ওই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামি ফরাজুল ইসলাম হাইকোর্টের আদেশের আলোকে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন। মামলাটি পরিচালনা করেন বাদি রাষ্ট্র পক্ষে দুদকের পিপি অ্যাড. এস এম আবুল কালাম আজাদ এবং আসামি পক্ষে অ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিক (৩)।
দুদকের মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী হাজতে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন
মার্চ ১৫, ২০২৪
































