আমন্ত্রণ প্রতিবেদক, হিলি (দিনাজপুর) :
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, হিলি আজিজিয়া মাদরাসার মতো সারাদেশে মাদরাসা আছে বলেই আমাদের মুখে দাড়ি আছে, মাথায় টুপি আছে। মসজিদে মুসল্লী আছে। মাদরাসায় যারা লেখা-পড়া করে তারা কোন দুর্নীতি করে না। তারা দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে না।
আমরা হজের দুটি প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছি। আপনাদের সরকারি ভাবে হজে যাওয়ার জন্য দাওয়াত করছি। যাতে কম টাকায় হজ করতে পারেন। আগামী বুধবার এব্যাপারে আমরা ফাইনাল সিদ্ধান্ত জানাতে পারব। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর যে অর্থনীতি পেয়েছি এই অর্থনীতি নামক ঘরের দরজা খোলা, কিন্তু সিন্দুকের তালা নেই।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি আজিজিয়া মাদরাসার উদ্যোগে মাদরাসা চত্বরে আয়োজিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে ওলামায়ে কেরামের ভূমিকা শীর্যক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
হিলি আজিজিয়া মাদরাসার মুহতামিম আলহাজ্ব শামছুল হুদা খানের সভাপতিত্বে ওই আলোচনা সভায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূর- এ আলম, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত রায়, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন মিঞা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহীনুর ইসলাম মন্ডল ও উপজেলা জামায়াতের আমীর আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন আরও বলেন, এখানে হিলি স্থলবন্দর রয়েছে। সেখান থেকে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পাচ্ছে। কিন্তু এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো নয়। এই স্থলবন্দর দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখলেও দেখে মনে হবে কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এখানকার মানুষেরা আমাকে বলেছেন তারা দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার কাজ বাস্তবায়নে, স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ ও আমদানি-রপ্তানি বানিজ্যে বৈষম্য দূরীকরণে দাবী-আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু কোন সুফল পাননি। আমি হিলি স্থলবন্দরের রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা, ট্রেনের যাত্রাবিরতি সহ ব্যবসা-বানিজ্যে সমস্যাগুলি সমাধানে সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়ে জানানোর উদ্যোগ নিব।
এদিকে ধর্ম উপদেষ্টা আলোচনা সভায় বক্তব্য শেষে বিকাল ৫টায় হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এরপর তিনি স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































