অমর চাঁদ গুপ্ত অপু :
নানামূখী প্রতিকূলতার মধ্যেও দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কলয়াখনির ভূগর্ভ থেকে রেকর্ড পরিমাণে কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। কয়লাখনির ১৪১৪ কোল ফেইস থেকে চলতি মাসের ৬ ও ৭ রেকর্ড পরিমাণে কয়লা উত্তোলনা করা সম্ভব হয়েছে।
কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হওয়ায় ফিরে এসেছে খনি শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কর্মচাঞ্চল্য।
কয়লাখনি সূত্রে জানা যায়, কয়লাখনির ১২০৯ নং কোল ফেইসের কয়লার মজুদ শেষ হওয়ায় চলতি বছরের ৩০ জুন বিকেল থেকে ওই কোল ফেইস থেকে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করে দেন খনি কর্তৃপক্ষ। এরপর ১৪১৪ নং নতুন কোল ফেইসের উন্নয়ন ও উৎপাদন কার্যক্রম শেষ করে দীর্ঘ ৩৯ দিন বন্ধের পর গত বুধবার (৭ আগস্ট) রাতে ১৪১৪ কোল ফেইসে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকায় পরদিন গত বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) পুরোদমে কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। একই কোল ফেইস থেকে আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় চার হাজার মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা গেলেও গত ৬ অক্টোবর ৫ হাজার ১৯৬ মেট্রিক টন এবং ৭ অক্টোবর ৫ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা হয়েছে। যা গত ছয় মাসে খনিতে কয়লা উত্তোলনের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
কয়লা উত্তোলনের এই গতি অব্যাহত রাখা গেলে আগামীতে খনির উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রেকর্ড পরিমাণে কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক-জিএম (মাইন অপরেশন) খান মো. জাফর সাদিক বলেন, কয়লাখনির নানাবিধ প্রতিকূলতার মধ্যেও খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দিননিদের্শনায় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় বর্তমানে ১৪১৪ কোল ফেইস থেকে রেকর্ড পরিমাণে কয়লা উত্তোলন সম্ভব হচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলেই কাজ করে যাচ্ছেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণে কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে ।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































