আমন্ত্রণ প্রতিবেদক
বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পাচ্ছেন ৪০০ জন। সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং সেবামূলক কাজের জন্য এ পদক দেওয়া হয়। পদকপ্রাপ্তদের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে এ পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে পদক পাওয়া পুলিশ সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের কার্যক্রম অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের এ পদকের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’ পেয়েছেন ৩৫ জন, ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)’ পেয়েছেন ৬০ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ২১০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশসূত্রে জানা যায়, এ পদকের যোগ্য কর্মকর্তাদের বাছাই করতে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কমিটি করা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য কমিটির কাছে তাদের বছরের সেরা কাজটির বিবরণ পাঠান। এর ভিত্তিতে যাচাই শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের কমিটি পদক পাওয়ার মতো কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তৈরি করে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠায়। প্রধানমন্ত্রী তা চূড়ান্ত করেন। পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্যারেডে সালাম গ্রহণের পর নিজ হাতে কর্মকর্তাদের এ পদকে ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী। এ পদক পুলিশের চাকরিতে খুবই সম্মানজনক হিসেবে বিবেচিত। কর্মকর্তারা এর জন্য আর্থিক সুবিধাও পান এবং নামের শেষে এ পদক উপাধি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
পুলিশে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক’ (বিপিএম), এর পরই ‘প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক’ (পিপিএম)। এ দুই পদকে যারা ভূষিত হন তারা এককালীন অর্থ ও প্রতি মাসে ভাতা পান এবং নামের শেষে এ পদক উপাধি ব্যবহার করতে পারেন। তা ছাড়া বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী অনেকে এ পদকে ভূষিত হন।


































