প্রবাল চৌধুরী ঠাকুরগাঁও প্রতিবেদক :
ঠাকুরগাঁও এর হরিপুর উপজেলায় ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হরিপুর মহিলা সমবায় সমিতিটি ১৫ দিনের ও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছে স্হানীয় প্রাভাবশালী আওয়ামী নেতা স্থানিয় শেখ রাসেল পরিষদ নেতা আবু বক্কর।
স্হানীয় ভাবে জানা যায়, সাবেব মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমিন ও তার স্ত্রী এ সংগঠন টির কার্যক্রম এর উদ্বোধন সহ সংগঠন টি নির্মাণে সহায়তা করেন। অত্র এলাকার অনগ্রসর মহিলাদেরকে বিভিন্ন কর্মে দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য এ সমিতি গঠন করেন যাহার নাম হরিপুর মহিলা সমবায় সমিতি উক্ত সমিতিটি ৯ /৭ /১৯৭৬ তারিখে ১০৭৮ নং রেজিস্ট্রেশন মূলে প্রতিষ্ঠিত হইয়া কার্যনির্বাহী কমিটির পুরাতন সদস্য সহ নতুন সদস্য সমন্বয়ে পরিচালনা করে আসছিল স্থায়ী প্রতিষ্ঠান করার নিমিত্তে গত ৬-২-১৯৮৫ ইং তারিখে ৩৩৪ নাম্বার রেজিস্ট্রি দলিল মূলে দশ শতক জমি ক্রয় করিয়া চতুর্দিকে বাউন্ডারি ওয়াল এবং ৫টি পাকা ঘর তিনটি ল্যাট্রিননির্মাণ করিয়ালোহার বর্গের দ্বারা আবদ্ধ করিয়া উহার ভেতরে বিভিন্ন গাছ-গাছালি লাগাইয়া মনমুগ্ধকর পরিবেশে সোয়েটার বানানো সহ দর্জি কাজে প্রশিক্ষণ গ্রহণ সহ হাতের কুটির শিল্প গ্রহণ সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ অত্র কমিটি পরিচালিত হয়ে আসছে।
ইতোমধ্যে অত্র এলাকার কতক ব্যক্তি দূর্বিসন্ধি করিয়া প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংস করার অসৎ উদ্দেশ্যে জবর দখলের চেষ্টা করলে, হরিপুর মহিলা সভাপতি বাদী হয়ে হরিপুর সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিগ্রী নিমিত্তে একটি মোকদ্দমা আনয়ন করেন যাহার নম্বর ৩২/২০২২অনন্য উক্ত মোকদ্দমাটিতে বিজ্ঞ বিচারিক আদালত বিবাদী গনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধ রাখা সহ, স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন ।
তথাপিও গত ৩/১/ ২০২৫ তারিখে মোকারমা বাবলির নেত্রীতে ও আবু বক্কর সহ তাদের দলিও লোকজন সমিতি ভাংচুর করে তালা বন্ধ করে অবরুদ্ধ করে রাখে এ বিষয়ে সমিতির পক্ষে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করা হয় এবং জেলা পুলিশ সুপার, সমবায় অফিসার, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কে লিখিত ভাবে অবগত করা হয়।
এ বিষয়ে স্হানীয় সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম কথা হলে তিনি বলেন এই সমিতি কার্যক্রম বহুপুরোনো এবং প্রতিষ্ঠান টি আমাদের ঐতিহ্য।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরিপুর জাকারিয়া বলেন এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি

































