বগুড়া ব্যুরো :
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোনো প্রার্থীই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে সাতজন বৈধ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবু কালাম শাহাদাতুজ্জামান, নাগরিক ঐক্য সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী জামাল উদ্দিন, গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী সেলিম সরকার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু।
এদিকে, অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলমই ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন এমন খবরে শিবগঞ্জ উপজেলাজুড়ে স্বস্তি ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত সকল প্রার্থীই নির্বাচনী মাঠে থাকছেন। আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এর আগে বিএনপি এই আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ছাড় দিয়েছিল। পরে তিনি ঝণ খেলাপি হতে পারেন এমন আশংকায় শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম কে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। তখন থেকেই ভোটারদের মনে সংশয় ছিল পরবর্তীসময়ে মীর শাহে আলমকে প্রত্যাহার করে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে সমর্থন দেওয়া হতে পারে। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তা করা হয়নি এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেও কেউ প্রত্যাহার করেননি। এতে করে শিবগঞ্জে বিএনপির নেতকর্মীরা আনন্দে ভাসছেন।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম তাজুল ইসলাম জানান, বিএনপিমনোনীত চুড়ান্ত প্রার্থী হিসাবে মীর শাহে আলমই আছেন।
আমন্ত্রণ/এজি


































