বগুড়া ব্যুরো:
অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সব প্রতিকূলতা জয় করে অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের জন্য বগুড়া জেলা রির্টানিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছে মনোনয়ন দাখিল করেন জেলা নেতৃবৃন্দ। মান্নার পক্ষে মনোনয়ন দাখিল করেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার সজীব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নাগরিক ঐক্যের সদস্য মশিউর রহমান পিয়াল ও শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানাটা ইউনিয়নের সভাপতি মাহবুব মোর্শেদ হীরা, আলিফসহ দলের নেতৃবৃন্দ।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার সজীব বলেন, বগুড়া -২ (শিবগঞ্জ) আসনের নির্বাচনে মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি মার্কায় ভোট করবেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্য দিয়ে মান্নার নির্বাচনী অংশগ্রহণ আরও স্পষ্ট ও দৃশ্যমান হলো। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।আদালতে মান্নার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল কাইয়ুম লিটন।
এছাড়াও রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।বুধবার বিচারপতি বজলুর রহমান ও বিচারপতি মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মাহমুদুর রহমান মান্নার রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান ‘আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড’ এর কাছে পাওনা ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ের লক্ষ্যে ‘কল ব্যাক নোটিশ’ জারি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা। মান্না ও তার দুই অংশীদারের ঠিকানায় পাঠানো ওই নোটিশে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ২২ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত মুনাফা বা জরিমানা পরিশোধ করেনি। বকেয়া বেড়ে এখন ৩৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
আমন্ত্রণ/এজি
বগুড়া-২ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র দাখিল, লড়বেন কেটলি মার্কা নিয়ে
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
































