বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার শেরপুরে একটি আঞ্চলিক সড়কে গাছ ফেলে মহিষ বোঝাই ট্রাকে ডাকাতি হয়েছে। ট্রাকের চালক-হেলপার ও ব্যবসায়ীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা ১০টি মহিষসহ ট্রাক লুটে নিয়ে যায়। এছাড়া একই সময়ে আরো বেশ কয়েকটি অটোরিকশা আটকে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা লুটে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে শেরপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। এর আগে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত অনুমান সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার শেরপুর-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের সুখানগাড়ী নামকস্থানে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার গোদারবাগ এলাকার তোজাম্মেল হক ও তার ভাই শাজাহান আলী রাজশাহী শহরের একটি হাট থেকে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা দিয়ে ১০টি মহিষ কিনেন। এরপর ট্রাকে (সিরাজগঞ্জ ১১-০২৩৭) তুলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে মহিষসহ তাদের বহনকারি ট্রাকটি আঞ্চলিক সড়কটির সুখানগাড়ী এলাকায় পৌঁছালে গাছ ফেলে ট্রাকের গতিরোধ করা হয়। এসময় ডাকাত দলের বেশ কয়েকজন সশস্ত্র সদস্য ট্রাকের চালক-হেলপারকে ভয়ভীতি ও মারধর করে চাবি ও মুঠোফোন কেড়ে নেন। সেইসঙ্গে তাদেরকে ট্রাক থেকে নামিয়ে ডাকাতদলের একজন চালকের আসনে বসেন। এরপর ট্রাকে থাকে ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হক, ভাই শাজাহান আলী ও আরো দুইজন স্বজনকে জোরপূর্বক ট্রাক থেকে ফেলে দিয়ে মহিষবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে মির্জাপুর বাজারের দিকে চলে যান সশস্ত্র ডাকাত সদস্যরা।
মামলার বাদি তোজাম্মেল হক বলেন, তাদের আগেও সড়কে গাছ ফেলে আরো বেশকয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকসার গতিরোধ করা হয়। সেইসঙ্গে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। একপর্যায়ে মহিষবোঝাই ট্রাক নিয়ে তারা এলে সশস্ত্র ডাকাতদলের কবলে পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।
শেরপুর থানার দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এই ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বে সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রæত সময়ের মধ্যেই খোয়া যাওয়া মালামাল এবং ওই ঘটনায় জড়িতদের চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
আমন্ত্রণ/এসিজি
বগুড়ায় সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি ১০ মহিষসহ ট্রাক লুট
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪


































