রীতা রানী কানু :
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর এলাকার পাইকারী বাজারে ২৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। গত দুইদিন আগেও এই মরিচ পাইকারী বাজারে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৪৩ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। দুইদিন ধরে পাইকারী ও খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের আমদানি বেশি হওয়াসহ চলতি মৌসুমে ফলন ভালো হওয়ায় মরিচের দাম ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। কম দামে মরিচ কিনতে পেরে তাই খুশি সাধারণ ক্রেতারা। গতকাল রবিবার (২৪ মার্চ) সকালে ফুলবাড়ী পৌর সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দুইদিন আগে পাইকারী বাজারে যে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। সেই মরিচ গতকাল রবিবার (২৪ মার্চ) বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা। খুচরা বাজারে কেজি ছিল ৪৩ থেকে ৪৫ টাকা। এখন সেই মরিচ বিক্রি হয়েছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে।
ফুলবাড়ী পৌর বাজারে সবজি কিনতে আসা অরম্নণ কুমার সরকার বলেন, দেশি পেঁয়াজ আর কাঁচা মরিচের দাম অনেকটা কমে গেছে। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে। আজ রবিবার (২৪ মার্চ) সকালে পাইকারী বাজার থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে দুই কেজি কাঁচা মরিচ এবং ৫৫ টাকা কেজি দরে এক কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন। ফুলবাড়ী পৌর বাজারের মরিচ ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে গত দুই দিন থেকে কাঁচা মরিচের দাম কমে গেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারি দরে কাঁচা মরিচ কিনে এনে ২৫ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে মরিচ বিক্রি করছেন। আশেপাশের এলাকাতেও কাঁচা মরিচের দাম কম গেছে। চলতি মৌসুমে এলাকার কৃষকদের জমিতে কাঁচা মরিচসহ সব ধরনের সবজির ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে প্রতিটি পণ্যের আমদানিও বেশি হচ্ছে। এ কারণে অন্যান্য সবজির মতো কাঁচা মরিচের দামও কমে আসছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রম্নম্মান আক্তার বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ২০ শতক করে চারটি প্রদর্শনী পস্নটের মাধ্যমেসহ উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই কমবেশি কাঁচা মরিচ চাষাবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের পলন বালো হয়েছে। এতে কৃষকরা আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন।


































