তানোর সংবাদদাতা :
রাজশাহীর তানোর উপজেলার কালনায় প্রতিবেশীদের মারধরে গুরুতর জখম হয়েছে দুই শিশুসহ চারজন। গত মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকাল ৬টার ঘটনাটি ঘটে তানোর উপজেলার কালনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে।
এতে গুরুতর জখম হয়েছে আসলাম শীর (২৮), জসিম উদ্দিন, মোসা. লতিফা খাতুন( ২৫), মোসা. আকলেমা বেগম (৪০) এবং ছোট শিশু আরিয়ান রবিন (৫)। আহতদের মধ্যে আসলাম মীরেরঅবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, নাজিম উদ্দীন ও নাসির উদ্দিন কালনা গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিবেশী আসলাম মীরের গরু তাদের পুঁইশাক খেয়ে ফেলে।এ নিয়ে আসলামের পরিবারকে সন্ত্রাসী স্টাইলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে , নাজিম উদ্দীন ও নাসির উদ্দিনের সাথে পূর্বশত্রুতা ছিল। নাসির উদ্দিন ও নাজিম উদ্দীন এবং তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীনাসির উদ্দিন ও ফারুক পরিকল্পিতভাবে হাঁসুয়া দিয়ে আসলাম মীরকে আঘাত করলে আসলাম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এরপর আসলাম এগোতে গেলে তার স্ত্রী লতিফাকে নাজিমুদ্দিন, শহিদা, নাসিরউদ্দিনসহ তার লোকজন বেদম মারপিট করে। এসব দেখে আসলামের বাবা জসিম উদ্দিন আগাতে গেলে তার ৫ বছরের নাতিকেও গুরুত্বর জখম করেন। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় চারজন লুটিয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাহিদ ইসলাম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আসালামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আসলাম মীর জানিয়েছেন, গরুর পুঁইশাক খাওয়া নিয়ে তারা অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছিল। প্রতিবাদ করতেই লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তার পরিকল্পিতভাবে আমাদের মারধর করে। এতে আমি এবং আমার স্ত্রীসহ মোট চারজন আহত হয়েছি। ঘটনার বিষয়ে তানোর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ নিয়ে আসলামের পরিবারকে নাজিম উদ্দীনসহ তার ভাড়াটিয়া লোকজন প্রাণ নাসের হুমকি দিচ্ছে। এতে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
অন্যদিকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তানোর থানা পুলিশ। তানোর থানার ওসি মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































