দিনাজপুর প্রতিবেদক :
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোর পর্যন্ত বিজিবির ৪২ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানা পুলিশের সহযোগিতায় রানীরবন্দর ও ভূষিরবন্দর এলাকায় এ অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার কষ্টিপাথরের মূর্তি ও বেলেপাথরের শিলা উদ্ধার করেছে।এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে কষ্টিপাথরের উমা-মহেশ্বরের মূর্তি, বিষ্ণু দেবতার মূর্তি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমৃদ্ধ বেলেপাথরের শিলা।
এ সময় পাচারকারী সন্দেহে চিরিরবন্দর উপজেলার পশ্চিম সাইতারা গ্রামের বাসিন্দা তাপস চন্দ্র রায় (৩০) এবং নশরৎপুর গ্রামের পরেশ চন্দ্র রায়কে (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে চিরিরবন্দর ও রানীরবন্দর এলাকায় তল্লাশি করা হয়। এ সময় ৩০ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের উমা-মহেশ্বর ও বিষ্ণুর মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া একই উপজেলার ভূষিরবন্দর এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬৪ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান বেলে পাথরের শিলা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মূর্তি ও শিলার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৫ হাজার টাকা।
উদ্ধার হওয়া প্রত্নবস্তুগুলো কান্তনগর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে নিশ্চিত করেছে। পরে আটক আসামি ও আলামত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিরিরবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আমন্ত্রণ/এজি
চিরিরবন্দরে কষ্টিপাথরের মূর্তি ও বেলেপাথরের শিলা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
মার্চ ২৭, ২০২৬
































