ভূরুঙ্গামারী প্রতিবেদক :
গত চার ধরে কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে কারফিউ জারি ও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে চার দিন (২০ জুলাই–২৩ জুলাই) ধরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) থেকে সীমিত পরিসরে বন্দরের কার্যক্রম চালু হয়েছে। এর আগে কাজ বন্ধ থাকায় বন্দরের শ্রমিকেরা কর্মহীন হয়ে পড়েন। দিন এনে দিন খাওয়া এসব শ্রমিককে সংসার চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে। তাঁরা জানান, বন্দর বন্ধ থাকায় প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক কয়েক দিন কোনো কাজ করতে পারেননি। এতে তাঁদের রোজগার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
বন্দরের চায়ের দোকানি আব্দুর রাজ্জাক বলেন,‘বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দোকানপাটসহ সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। এক দিন কাজ না করলে পেটে ভাত যায় না। খুব কষ্টে আছি।’
ব্যবসায়ীরা জানান, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক লেনদেন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া পাথর পরিবহন করা যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছে না। ঠিকভাবে মালপত্র পৌঁছানো যাচ্ছে না।
সোনাহাট স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সরকার রকীব আহমেদ জুয়েল বলেন, ইন্টারনেট না থাকায় মালামাল খালাস করা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা পণ্য আনতে পারছেন না। এমনকি মালামাল বিক্রি করতেও সমস্যা হচ্ছে। শ্রমিকেরা কাজ পাচ্ছেন না। সরকারের প্রায় ৩৫ লাখ টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
আমন্ত্রণ/এজি
চার দিনে সোনাহাট স্থলবন্দরে ৩৫ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি
জুলাই ২৬, ২০২৪
































