বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার-১ (সারিয়াকান্দি–সোনাতলা আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন শাহাজাদী আলম লিপি। তিনি আলোচিত অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল হক মিলনের স্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী হিসেবে পরিচিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলার আসামি শাহাজাদী আলম লিপি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছে তাঁর পক্ষে হেদায়েতুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। মনোনয়ন দাখিলের খবরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, একাধিক মামলার আসামি হয়েও কীভাবে একজন ব্যক্তি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। এতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও আইনগত প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহাজাদী আলম লিপি বলেন, ‘আমার নামে যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ, এখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার সবার রয়েছে।ডামি প্রার্থী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছি। এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করব।’
নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই সময় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম, তবে শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করেছি।’
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘মনোনয়নপত্র দাখিল করার অধিকার সবার রয়েছে। কেউ মামলা বা অভিযোগে অভিযুক্ত থাকলেও তিনি মনোনয়ন দাখিল করতে পারেন। তবে যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও অন্যান্য আইনগত বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
আগামী যাচাই-বাছাইয়ে শাহাজাদী আলম লিপির মনোনয়ন বৈধ থাকবে কি না—সে দিকেই এখন সারিয়াকান্দি–সোনাতলা এলাকার ভোটার ও রাজনৈতিক মহলের দৃষ্টি।
আমন্ত্রণ/এজি
একাধিক মামলার আসামির মনোনয়ন দাখিল, মিশ্র প্রতিক্রিয়া
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
































