বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ার শিবগঞ্জে বসত বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাইকে আম গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠেছে ভাইয়ের বিরম্নদ্ধে। এই ঘটনায় মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ অপর দুই ভাইকে আটক করেছে। সেই সঙ্গে গাছে বেধে রাখা ভাই মিলনকে উদ্দার করা হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রম্নয়ারি) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ পৌর এলাকার তেঘরি মহলস্নায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, তেঘরি মহলস্নার বাসিন্দা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মফিজ উদ্দিনের মৃতু্যর পর থেকে বসতবাড়ির ২৭ শতক জায়গা নিয়ে তিন ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের জের ধরে গতকাল সোমবার দুপুরে ছোট ভাই মিলন বাঁশের বেড়া দিতে তার সীমানা নির্ধারণ করতে গেলে অপর দুই সহোদর ভাই জাহিদুল ইসলাম ও মিনহাজুল ইসলাম তাকে বাধা প্রদান করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে ও বাক বিতন্ডায় শুরম্ন হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতির রম্নপ নেয়। এই সময় বড় দুই তাদের ছোট ভাই মিলনকে আম গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে অমানসিক নির্যাতন করে। ছেলের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মা জামিলা বেওয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও তিন ভাইকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে বড় ভাই জাহিদুল ইসলাম বলেন, ছোট ভাই মিলন একজন মাদক সেবনকারী। সে যেকোন সময় মারপিটসহ খুন জখমের ঘটনা ঘটাতে পারে। সেজন্য তাকে আম গাছের সঙ্গে হাত, পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এবিষয়ে মা জামিলা বেওয়া বলেন, বাড়ির পার্শ্বে ফাঁকা জায়গায় মিলন বেড়া দিতে গেলে আমার বড় দুই ছেলে তাকে বাধা প্রদান করে ও ছোট ছেলেকে আম গাছের সঙ্গে হাত পা বেঁধে রেখে নির্যাতন করে। শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আব্দুর রউফ বলেন, মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল থেকে দুই ভাইকে আটক ও গাছে বেঁধে রাখা ভাইকে উদ্ধার করা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরম্নদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

































