আব্দুর রাজ্জাক আশিক, ধুনট (বগুড়া) প্রতিবেদক :
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে এক কৃষকের বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রের পানির পাইপ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ট্রলি চালক দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এতে আবাদি জমিতে পানি সেচের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় ফসলের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে জিল্লুর রহমান একজন আদর্শ কৃষক। তিনি ২০২৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) থেকে অনুমোদন নিয়ে বাড়ির পাশের মাঠে একটি বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র স্থাপন করেন। ওই সেচযন্ত্রের মাধ্যমে আশপাশের আবাদি জমিতে নিয়মিত পানি সেচ দিয়ে আসছিলেন তিনি।
অন্যদিকে একই গ্রামের রাজ্জাক মন্ডলের ছেলে ট্রলি চালক সুজন ও সাকিল বিএডিসি থেকে একটি সেচযন্ত্রের অনুমোদন নিলেও বিধিবহির্ভূতভাবে বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জিল্লুর রহমান তাদের অবৈধ সেচযন্ত্র অপসারণের দাবিতে গত বছরের ২১ ডিসেম্বর উপজেলা সেচ কমিটি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
এর জেরে সুজন ও সাকিল জিল্লুর রহমানের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) ভোর ৬টার দিকে তারা মাঠে গিয়ে জিল্লুর রহমানের সেচযন্ত্রের পানির পাইপ ভাঙচুর করেন। এতে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজন বলেন, জিল্লুর রহমানের সেচযন্ত্রের পানির পাইপ কে বা কারা ভেঙেছে তা আমি জানি না। আমাদের দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ধুনট থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সেচযন্ত্রের পানির পাইপ ভাঙচুরের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমন্ত্রণ/এজি
ধুনটে সেচযন্ত্রের পাইপ ভাঙচুরের অভিযোগ, সেচ কার্যক্রম ব্যাহত
জানুয়ারি ২২, ২০২৬


































