বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় দুটি মামলায় গ্রেফতার আওয়ামী লীগ নেতা ও দলিল লেখক আবদুল লতিফ (৬৭) মারা গেছেন। সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে অসুস্থতাজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়।
বগুড়া জেল সুপার ফারুক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বগুড়া জেলা কারাগার ও এজাহার সূত্র জানায়, মৃত আবদুল লতিফ শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের শোলাগাড়ি গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও উপজেলা দলিললেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে গত ১৫ আগস্ট শিবগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়। এ মামলার তিনি ওইদিনই গ্রেফতার হন। আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়।
আবদুল লতিফ গত শনিবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
বগুড়া জেল সুপার ফারুক আহমেদ জানান, ময়নাতদন্ত শেষে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলা হয়েছে।
এর আগে, গত ১১ নভেম্বর গভীর রাতে বগুড়া কারাগারে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম রতন (৫৪) মারা যান। তিনি বগুড়া শহরের দক্ষিণ গোদারপাড়ার মৃত কলিম উদ্দিনের ছেলে। বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রতন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে একটি বিস্ফোরক আইনের মামলায় তিনি গত ৪ অক্টোবর কারাগারে যান।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































