আমন্ত্রণ ডেস্ক :
‘ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি, ডিমে আছে রোগমুক্তি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বিশ্ব ডিম দিবস সারা বিশ্বে পালন করা হচ্ছে।ডিমের দাম চড়া। তবু মানুষ খুব রাগ হলে বহিঃপ্রকাশ ঘটান ডিম মেরে। কোনো শিল্পী যখন মঞ্চে উঠেন গান গাইতে, তখন শ্রোতার মনঃপূত না হলে ডিম ছুড়ে মারেন। হোক তা যত দামেরই।
দেশে এখন ডিমের বাজার অস্থির। এই অস্থিরতার মধ্যেই এলো ‘বিশ্ব ডিম দিবস।’ ডিম শুধু সকালের নাশতার টেবিলে সংযোজনই নয়, পুষ্টি আর স্বাস্থ্যের জন্যও জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে চোখের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করতে পারে। আর শিশুদের বাড়ন্ত হওয়ার জন্য দারুণ সহায়ক। অর্থাৎ ডিম হচ্ছে সকাল থেকে শুরু করে একেবারে রাত পর্যন্ত চূড়ান্ত সুপার খাবার।
এসব বিবেচনায় বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপনের বিষয়টি মাথায় আসে ১৯৯৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন থেকে। সেই থেকে বিশ্ব ডিম দিবসের যাত্রা। এটি এখন বৈশ্বিক উদযাপনে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রতি বছর ৪০টির বেশি দেশ দিবসটি পালন করে। মূলত প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ডিমের উপকারিতা প্রচার করা।
বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব ডিম দিবস পালন হবে। তবে এমন একসময় পালন হবে যখন দেশে ডিমের বাজার অস্থিতিশীল। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ডিম। এরপরও রীতি অনুযায়ী দেশে বিশ্ব ডিম দিবস পালন হবে।
আমন্ত্রণ/এসিজি


































