বগুড়া ব্যুরো :
বগুড়ায় আদালতের নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেনের মরদেহ দুই মাস পর করব থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা মধ্যপাড়া এলাকার কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়।
নিহত সাব্বির হোসেন গাবতলী উপজেলার তেলিহাটা মধ্যপাড়া এলাকায় শাহিন আলমের ছেলে। তিনি সুখানপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিলাদুন্নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মরদেহ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু শাহমা ও সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিলাদুন্নবী। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের তত্ত¡াবধানেই সাব্বিরের মরদেহ ফের দাফন করা হবে।
এর আগে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আনন্দ মিছিলে অংশ নেন সাব্বির। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে সোনাতলা উপজেলার শিহিপুর এলাকায় পৌঁছালে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর সাব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করেছিল পরিবার।
এ ঘটনার পর ১৫ আগস্ট নিহত সাব্বিরের বাবা শাহিন আলম বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে সারিয়াকান্দি-সোনাতলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান ও সোনাতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটনসহ ২০ জন ও অজ্ঞাত ২০/৩০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিলাদুন্নবী বলেন, ‘সাব্বির হত্যাকাÐের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বাবা। যেহেতু সেসময় ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মরদেহ দাফন করেছিল পরিবার। তাই তদন্তের পর স্বার্থে মরদেহটি ময়নাতদন্তের আদেশ দেন আদালত। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে এবং পুলিশ ও আদালত আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।’
আমন্ত্রণ/এসিজি


































