গোপাল মোহন্ত, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার গোবিদগঞ্জে চায়না জালের ব্যবহারে সাবার হচ্ছে নদী নালার দেশী প্রজাতির মাছ। প্রশাসনের সুষ্ঠু তদারকি না থাকায় এই জালের ব্যবহার ক্রমেই বৃৃদ্ধি পাচ্ছে।
উপজেলার মধ্যদিয়ে করতোয়া, কাটাখালি, বাঙালি ও নলেয়া নদী সহ বেশ কিছু নদী-নালা প্রবাহিত হয়েছে। এই নদী গুলিতে এক সময় প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। কিন্ত, কালের আবর্তে এখন নদী নালা প্রায় মাছ শূন্য হয়ে পরেছে। স্থানীয়দের ধারণা নদী-নালায় ব্যাপক ভাবে চায়ানা বা শয়তান জাল ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কারেন্ট জাল বা শয়তান জাল এতটা মারাত্বক যে বড় মাছ থেকে শুরু করে এর মধ্যে অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র্র মাছও আটকা পড়ে। যে কারণে নদীতে ছোট বড় সব মাছই ধরা পড়ায় দিন দিন প্রায় মাছ শুন্য হয়ে যাচ্ছে, এই উপজেলার নদী নালা জলাশায়। স্থানীয়রা জানান, প্রকাশ্যে গোবিন্দগঞ্জের গোলাপবাগ, কোমরপুর, মহিমাগঞ্জ, কামদিয়া, ফাঁসিতলা সহ অন্যান্য হাটবাজারে অনেকটা প্রকাশ্যে চায়না জাল কেনা বেচা হলেও এসব হাটে কোন অভিযান নেই। যে কারণে প্রতিনিয়ত প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যায়ে এই জালের ব্যবহার বাড়ছে।
করতোয়া নদী তীরবর্তী দুর্গাপুর গ্রামের সোলায়মান আলী বলেন, আগে উপজেলার ফুলহার বগুলাগাড়ী, সাহেবগঞ্জ, শাকপালা কুঠিবাড়ী, বড়দহ, সোনাই ডাঙ্গা, মহিমাগঞ্জে সবচেয়ে বেশী চায়না জাল মাছ শিকারের জন্য ব্যবহার হচ্ছে। এতে ছোটবড় মাছের পোনা সহ সব ধরণের মাছ মারা পরছে। নাম প্রকাশ না করার স্বর্তে একজন জেলে বলেন এখন চায়না জাল ছাড়া অন্যকোন জালে মাছ শিকার করা যায়না। এ ছাড়াও সহজেই এই জাল পাওয়া যাওয়য়ায় এই জালের প্রতি মাছ শিকারীরা আগ্রহী হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার রোধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস অত্যন্ত আন্তরিক। এ জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোন স্থানে এই জালের ব্যবহার ও বিক্রির খবর অথবা অভিযোগ পেলেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
আমন্ত্রণ/এসিজি
গোবিদগঞ্জে চায়না জালের ব্যবহারে সাবার হচ্ছে নদী নালার দেশী প্রজাতির মাছ
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫


































