গোপাল মোহন্ত. গোবিন্দগঞ্জ প্রতিবেদক :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সংস্কার না হওয়ায় এবং বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সীমহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বিশ^নাথপুর-বালুয়াবাজার এলাকায় চলাচলকারী ৪টি গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ এমপি চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবী জানিয়েও আশ^াস ছাড়া কিছুই পায়নি এলাকার মানুষ।
উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দুর্গাপুর, বিশ^নাথ পুর শাকপালা সাতারপাড়া, সাপগাছি হাতিয়া দহ সহ ওই এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ করতোয়া নদীর পাড় দিয়ে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলা করে। কিন্তু, বন্যায় বাঁধের বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ায় এবং দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় ভ্যান, অটোরিক্স, বাই সাইকেল, মোটর সাইকেল চলাচলে অযোগ্য ও ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে পরেছে। মাঝে মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় অনেকেই। বিশেষ করে হাটবাজারে কৃষিপণ্যসহ মালামাল পরিবহণের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে বাজারে না এসে বাড়ী থেকেই কম দামে তাদের কৃষি পন্য বিক্রি করে দেয় অকে কৃষক। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা প্রায় ২/৩ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বালুয়া বাজার হয়ে গোবিন্দগঞ্জ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। স্থানীয়রা জানান অসুস্থ রোগি আনা নেয়ার ক্ষেত্রেও পরতে নানা বিরম্বনায়। গুরুতর রোগী আনা নেয়া হয় এ্যাম্বুলেন্স চলাচল ঝুঁকি পূর্ণ হওয়ায় বেশী ভাগ সঠিক চিকিৎসা সেবা পাওয়ার আগেই মারা যায়।
বিশ^নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা সোবাহান আলী বলেন, যাতায়াতের জন্য আর কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ব্যবহার করা হয়। কিন্ত বাঁধের দুরাবস্থার করনে নিত্যদিনের কাজ কর্ম সারতে পায়ে হেঁটে গোবিন্দগঞ্জ সহ বিভিন্ন স্থানে চলাচলা করতে হয়। যে কারণে এলাকার কোমলমতির শিশু শিক্ষার্থীদের ভাল কোন বিদ্যালয়ে পড়ানো যায় না। খরা মৌসুমে হাঁটু পরিমাণ বালি আর বৃষ্টি হলে কাঁদায় চলাচল করা কঠিন। একই এলাকার আব্দুস সামাদ বলেন ভোটের সময় অনেক নেতাই সড়কটি পাকাকরণ কাজের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। বাঁধের এই সড়কটি দ্রæত পাকাকরনের মাধ্যমে চলাচলের সুযোগ করে দেয়ার জন্য জোড় দাবি জানাচ্ছি।
আমন্ত্রণ/এসিজি
গোবিন্দগঞ্জে সংস্কারের অভাবে দুর্ভোগের শিকার চার গ্রামের অর্ধলক্ষ মানুষ
জুলাই ২০, ২০২৫


































